
খুলনা ব্যুরো
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার খুলনা আসবেন। তাকে স্বাগত জানাতে খুলনা জেলার মহানগর বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মহানগরীতে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা এবং সড়কের ফুটপাথগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। নগরী এখন ঝকঝকে সুন্দর।
প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে প্রচারাভিযানও চালানো হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। তার আগে নগরীতে শোভাযাত্রাও বের করা হয়।
প্রেসব্রিফিংয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বলেন, নতুন কুঁড়ির আয়োজনের মাধ্যমে আগামীতে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম খুলনা সফর নিয়ে মানুষের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে সারা দেশের মতো উন্নয়নের জোয়ার খুলনায়ও শুরু হবে। তিনি ইতোমধ্যে আমাদের বন্ধ মিলগুলো খুলে দিয়ে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। খুলনাঞ্চলে শিল্পায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সেক্টরের উন্নয়নেও তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন। মোংলা বন্দরের উন্নয়নের সাথে খুলনার উন্নয়ন জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্দরটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছেন। অতীতে খুলনা ‘স্পোর্টস সিটি’ হিসেবে পরিচিত ছিল, সে ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মাহফুজুল আলম খান প্রেসব্রিফিংয়ে জানান, সরকার স্কুল-কলেজের মাঠ ছাড়াও দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এ বছরই এক হাজার ইউনিয়নে এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ চলমান অর্থবছরে শুরুর বিষয়ে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের অবশিষ্ট অংশে গ্যালারি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হবে।
ব্রিফিংয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক মো: তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকালে খুলনা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








