
রয়টার্স
ইউক্রেন সঙ্কটের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ন্যাটো জোটভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোকে, বিশেষ করে বাল্টিক অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ও কঠোর বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন। পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল অন্তত চারটি আন্তর্জাতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে গত কয়েক সপ্তাহে ন্যাটোর বেশ কিছু মিত্র দেশকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেয়ার ক্ষেত্রে সংযত থাকার জোরালো অনুরোধ জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের মূল যুক্তি হলো, ইউরোপীয় শীর্ষ নেতাদের কিছু অতিমাত্রায় আক্রমণাত্মক মন্তব্য মহাদেশটির সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থাকে বাস্তবে আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।
পেন্টাগনের এই বিশেষ কূটনৈতিক বার্তাটি বিশেষভাবে লিথুয়েনিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ার মতো বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। অত্যন্ত গোপনীয় রুদ্ধদ্বার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে এই বার্তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দফতরে পৌঁছে দেয়া হয়। তবে নির্দিষ্ট এই তিন দেশ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য কোনো দেশের সরকারের কাছে এ ধরনের কোনো বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমন এক সংবেদনশীল সময়ে ওয়াশিংটনের এই কূটনৈতিক অবস্থান সামনে এল, যখন বর্তমান মার্কিন প্রশাসন ইউক্রেনে বিগত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান সর্বাত্মক যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি কার্যকর রাজনৈতিক আলোচনার পথ তৈরি করার প্রচেষ্টা জোরালো করেছে। মার্কিন এই নতুন কৌশলগত উদ্যোগের আওতায় রাশিয়ার ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো প্রণোদনার বিষয় যেমন রয়েছে, তেমনি অন্যদিকে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধ করতে কিয়েভের ওপর কূটনৈতিক চাপও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








