
প্রাণখোলা হাসির উপকারিতা জানার পর বিশ্বের শতাধিক দেশে হাজার হাজার লাফিং ক্লাব গড়ে উঠেছে। সাধারণ যোগব্যায়ামের মতো এতে কঠিন শারীরিক কসরত করতে হয় না। হো-হো, হা-হা ধ্বনি তুলে চর্চা শুরু হয়।
উপকারিতা অনেক-
অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি: ছন্দবদ্ধ ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া এবং মুখ খুলে হাসির কারণে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ে।
মানসিক চাপ হ্রাস: প্রাণখোলা হাসি মানসিক চাপ কমিয়ে স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত ও শিথিল রাখতে সাহায্য করে।
মন প্রফুল্ল রাখা: হাসির ফলে মনে আনন্দের সঞ্চার হয়, যা নিমেষেই মেজাজ ফুরফুরে করে তোলে।
ভালো ঘুম ও সামাজিক সংযোগ: অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে। সম্মিলিতভাবে হাস্য যোগ অভ্যাসে আর পাঁচজনের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি হয়। চেনাজানার পরিসর বাড়ে, কথাবার্তায় একাকিত্ব কমে।
সহজলভ্য: এর জন্য কোনো বাড়তি সরঞ্জামের দরকার নেই। চাইলেই যে কেউ নিজের মতো করে শুরু করতে পারেন।
শুরু করার ৫টি সহজ ধাপ
শ্বাস দিয়ে শুরু করুন: শুরুতেই জোর করে না হেসে প্রথমে কয়েক মিনিট গভীর শ্বাস নিন- নাক দিয়ে শ্বাস টেনে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়–ন। শ্বাস ছাড়ার সময়ে হালকা ‘হা-হা’ শব্দ যোগ করতে পারেন। এ শ্বাস-প্রশ্বাসই হাসিকে স্বাভাবিক করে তোলে।
নিয়মিত করা জরুরি: শুরুতে রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় দিন। কোনো দলে যোগ দিলে সপ্তাহে কয়েক দিন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট করতে পারেন। দীর্ঘসময় চর্চার চেয়ে নিয়মিত চর্চা করা বেশি জরুরি।
উপযুক্ত জায়গা বেছে নিন: যেখানে সশব্দে, মন খুলে হাসতে পারবেন, এমন জায়গা বেছে নিন- যেমন বসার ঘর, খোলা মাঠ বা ছাদ। ঘরে একা থাকলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কোনো নির্দিষ্ট ভিডিও দেখে চর্চা শুরু করতে পারেন, এতে দ্বিধাবোধ কেটে যায়।
দলে চর্চা করার চেষ্টা করুন: হাসি দ্রুত একজনের থেকে অন্যজনের মুখে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় কোনো লাফিং ক্লাবে যোগ দিতে পারেন। চোখাচোখি, হাতে তালি বাজানো এবং আওয়াজ করে হাসা বা নিঃশব্দ হাসির মতো মজার ব্যায়ামগুলো কৃত্রিম হাসিকে দ্রুত আসল হাসিতে বদলে দেয়।
শুরুতে অস্বস্তি স্বাভাবিক: প্রথম প্রথম কাজটা একটু অস্বাভাবিক মনে হতে পারে- কিন্তু এটা একেবারেই স্বাভাবিক। নিখুঁত ভাবে হাসার কোনো নিয়ম নেই। কোনো দ্বিধা না রেখে মনকে মুক্ত রেখে আনন্দ উপভোগ করুন। ইন্টারনেট
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








