
দ্য গার্ডিয়ান
ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্রিটেনে বিতর্ক এখনো থামেনি। অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের প্রশ্নে আবারো আলোচনায় এসেছে ইইউতে ফেরার বিষয়টি। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও এবার জানালেন, নিজের জীবদ্দশায় তিনি ব্রিটেনকে ইইউতে ফিরে যেতে দেখতে চান। তবে এ বিষয়ে নিজের মতামত জনগণের ওপর চাপিয়ে দিতে চান না তিনি।
গতকাল সোমবার আইটিভির গুড মর্নিং ব্রিটেন অনুষ্ঠানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্নহাম এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ইইউতে ফেরা তার ব্যক্তিগত ইচ্ছা হলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার ব্রিটিশ জনগণের। জনগণের মতামতের আগে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার পক্ষপাতী নন তিনি। সাক্ষাৎকারে উপস্থাপক রিচার্ড মেডলি জানতে চান, ব্রিটেনকে আবার ইইউতে ফিরিয়ে নেয়ার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্যই কি বার্নহামের জন্ম হয়েছে বলে তিনি মনে করেন? জবাবে বার্নহাম বলেন, তিনি বিষয়টিকে এভাবে দেখেন না। বরং বাস্তবসম্মতভাবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে ইইউর সাথে সম্পর্ক আরো কার্যকর করা এবং ব্রিটিশ অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পথ খুঁজে বের করাই তার কাজ। পরে উপস্থাপক সুসানা রিড সরাসরি জানতে চান, তিনি নিজে যুক্তরাজ্যকে ইইউতে ফিরে যেতে দেখতে চান কি না। জবাবে বার্নহাম বলেন, নিজের জীবদ্দশায় এমনটা দেখতে চান তিনি। তবে ব্রিটিশ জনগণের সিদ্ধান্তের আগে এগিয়ে যেতে চান না তিনি। এ বিষয়ে জনগণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মত দেন তিনি। ব্রেক্সিট নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরুর বিষয়ে বার্নহাম বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে ব্রিটেনের বর্তমান সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।কারণ ব্রেক্সিটের পর যে সমঝোতা কার্যকর রয়েছে, তা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে সম্পর্কের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা জরুরি। তবে এ আলোচনা বিভেদ বাড়াবে বলে মনে করেন না বার্নহাম। বরং ভিন্নমতের মানুষদের কাছাকাছি আনার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। এর আগে, লেবার পার্টির সম্মেলনে দেয়া ভাষণেও বার্নহাম বলেছিলেন, ব্রেক্সিট-পরবর্তী সমঝোতা পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ইইউতে ফিরে যাওয়াই সেরা বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। তবে নির্বাচনের আগে যুক্তরাজ্যকে ইইউতে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন তিনি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








