ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে না : ইসি সানাউল্লাহ

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

Advertisement

আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইমি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ। গত জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে আসন্ন উপনির্বাচনে তিনগুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়ন থাকবে, তাই সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। গতকাল ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাসক কার্যালয়ে উপনির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখানে পরিবেশ এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর আছে। আমরা আশা করছি এই পরিবেশেই সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পূর্ণ করতে পারব। এ সময় সেনাবাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা এই উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি না এবং মোতায়েন করা হবেও না। কারণ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে এখানে তিনগুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোতায়ন রাখা হবে। তাই এখানে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি না এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির কোনো আশঙ্কা নেই।
নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে তিনি জানান, কেউ যাতে অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করার সুযোগ না পান সেটি নিশ্চিত করা হবে। কেউ যদি কোনো ধরনের অপকর্ম করেন সেটা যেন প্রতিহত করা যায় সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে।  পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নেয়া হবে। সেই সাথে পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবির সাথে বডি অন ক্যামরা ও ড্রোনের সাহায্যে সার্বক্ষণিক নির্বাচন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। নির্বাচন বিষয়ে অভিযোগ ও তদন্তের জন্য ইলেক্টোরাল ইনকুয়্যারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। 
এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক রফিকুল হকের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, জেলা পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, উপনির্বাচনে  রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।