
রাজশাহী ব্যুরো
সার ডিলার নিয়োগে যোগ্যতা যাচাই ও নির্ধারিত শর্ত অনুসরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজশাহীর তানোরে একটি নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। তার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সার ও বীজের ব্যবসা পরিচালনা করেও তিনি ডিলারশিপ পাননি; বরং প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ না করার পরও অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মেসার্স শামীমা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো: আমিনুল ইসলাম।
গতকাল দেয়া লিখিত অভিযোগে আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তানোর উপজেলার ১ নম্বর কলমা ইউনিয়নের বিল্লী বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সার ও বীজের ব্যবসা করছেন তিনি। সার ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ১০৬ নম্বর আবেদনের মাধ্যমে ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি। তার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও শর্ত যথাযথভাবে যাচাই না করেই ‘তান্স এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে ‘তান্স এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব বা ভাড়াকৃত গুদামঘর রয়েছে কি না এবং সার ব্যবসা পরিচালনায় প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা আছে কি না, তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না- সেটি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগে আরো বলা হয়, কলমা বাজারে আগে থেকেই ‘শাহ এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান সার ডিলার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে। এ অবস্থায় একই বাজারে নতুন করে ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আমিনুল ইসলাম।
এ বিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের কোনো ঘটনা ঘটেনি। জেলা প্রশাসকের কাছে দায়ের করা অভিযোগের বিষয়টি তার জানা নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অভিযোগকারীর ছেলে ও তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে সার ও বীজের ব্যবসা করলেও ডিলারশিপ পাননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যাকে ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তিনি সার ব্যবসায়ী নন। এ কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে তান্স এন্টারপ্রাইজের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








