সেতু ভেঙে ১০ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি
পঞ্চগড়ে মামা-ভাগিনা খালের সেতুটি ধসে পড়ায় পথচারীদের চলাফেরা বন্ধ : নয়া দিগন্ত।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
ভারী বর্ষণ ও তীব্র স্রোতে পঞ্চগড়ের মামা-ভাগিনা খালের ওপর নির্মিত সøুইসগেট সেতু ও সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ার এক বছর পরও স্বাভাবিক হয়নি যোগাযোগব্যবস্থা। এতে অন্তত ১০ গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত বছরের ১২ আগস্ট রাতে ভারী বর্ষণে সেতুটির দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এরপর থেকে এক পাশের সংযোগ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্য পাশ দিয়ে খালের পানি পায়ে হেঁটে পার হতে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সসহ কৃষিপণ্য পরিবহনের যানবাহন গ্রামগুলোতে প্রবেশ করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যাতায়াতের জন্য একটি অস্থায়ী কাঠের সেতু তৈরি করা হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, সেটি চলাচলের সময় দুলে ওঠে এবং বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়েই মানুষজন মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে সেতুটি পার হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্ষাকালে খালের পানি বেড়ে গেলে দুর্ভোগ আরো বাড়ে। কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। একই সাথে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে অতিরিক্ত সময় ও পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে।
এলজিইডি সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে কুচিয়ামোড়-তালমা চছপাড়া উপপ্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। নতুন সেতু নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নকশা চূড়ান্ত করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

Advertisement