
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, অভিবাসন মানে কেবল বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ নয়। এর সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং নিরাপত্তা। এই রেমিট্যান্সের পেছনে লুকিয়ে আছে আমাদের সাধারণ নাগরিকদের কষ্ট ও সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর ওয়েস্টিন, ঢাকা হোটেলে ওয়ারবি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘অভিবাসন, অধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ক ককাসের উদ্বোধন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক।
অনুষ্ঠানে সংসদীয় ককাসের সভাপতি এবিএম মোশাররফ হোসেন এবং ককাস সচিবালয়ের সভাপতি সৈয়দ সাইফুল হক স্বাগত বক্তব্য রাখেন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সংসদীয় ককাসের মহাসচিব এমপি মাহমুদা হাবিবা।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে আমাদের সচেতন হতে হবে। নারী শ্রমিকদের অভিবাসন গন্তব্যে অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হতে হয়। আমাদের প্রচলিত আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়নের সাথে অভিবাসন গন্তব্য দেশগুলোর সাথে অভিবাসী শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আলোচনা করতে হবে।
স্পিকার বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে বিদেশে কর্মী প্রেরণে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়েছে।
শ্রমিক প্রেরণে অব্যবস্থাপনা এবং দালালদের দৌরাত্মের কারণে বিগত বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবাসী কর্মী প্রেরণ বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, এই সর্বদলীয় ককাসের মাধ্যমে সংসদ-সদস্যগণ বিদেশে কর্মী প্রেরণে সহায়তা এবং সরাসরি মাঠপর্যায়ে অভিবাসন আইনের সঠিক বাস্তবায়ন তদারকি করবেন।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। প্রবাসী শ্রমিকরা অভিবাসন গন্তব্যে দীর্ঘমেয়াদে নিপীড়ন ও শোষণের শিকার হয়ে আসছে। তিনি বলেন, কূটনৈতিক মিশনগুলোর মাধ্যমে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বাসস
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








