
ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতি কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোকাদ্দাম মঙ্গলবার এক সিনিয়র আইনপ্রণেতার বরাত দিয়ে জানান, ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালীতে ট্রানজিট নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ইরান।
ইরানি স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সিকে মোকাদ্দাম বলেন, এই চারটি দেশের নৌযানগুলোকে কৌশলগত এই নৌপথ দিয়ে যাতায়াত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজগুলোকে ট্রানজিট নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। এই দেশগুলোর জাহাজগুলো অবাধে যাতায়াত করছে এবং মার্কিনরাও সেগুলোকে বাধা দিচ্ছে না।
হায়াত মোকাদ্দাম জানান, এই অব্যাহতির পেছনে ইরান এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পারস্পরিক স্বার্থ জড়িত রয়েছে।
তিনি বলেন, ভারত থেকে ওষুধ আমদানির পথ সুগম করতেই তেহরান ভারতীয় জাহাজগুলোর চলাচল সহজ করে দিচ্ছে।
চীনা জাহাজের এই অব্যাহতির উদ্দেশ্য হলো বেইজিংয়ের রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করা, যোগ করেন তিনি।
হায়াত মোকাদ্দাম আরো বলেন, ইরান ভারতীয় ও চীনা জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি সংগ্রহ করলেও কাতারি নৌযানগুলোকে কোনো চার্জ ছাড়াই যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে।
তবে ইরাকি জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে কোনো ট্রানজিট ফি দিতে হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি।
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শিপিং রুট, যা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস বহন করে নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল।
এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি অর্জিত হলেও, সংঘাতের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় জুলাই মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে লড়াই পুনরায় শুরু হয়।
সূত্র : আনাদুলু অ্যাজেন্সি
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








