
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এছাড়া কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে আগামী ২২ নভেম্বর হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের পলাতক সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এসব আদেশ দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, সাবেক মন্ত্রী ডা: দীপু মনি এবং শেখ হাসিনার সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
এ দিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। শুনানিতে তিনি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তুলে ধরে তা আমলে নেয়ার আবেদন করেন।
এর আগে, গত ২ নভেম্বর এই সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন আসামিরা। ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কারফিউ জারি এবং এর আড়ালে হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনায় তারা যুক্ত ছিলেন।
এদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ডিবি হেফাজতে নিয়ে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। ইউএনবি
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








