ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি, লাল কার্ড, হলুদ কার্ড, প্রিমিয়ার লিগ, অফসাইড, ভিএআর, পেনাল্টি
গোলের পর চেলসির উদযাপন। সংগৃহীত

প্রথমার্ধে লড়াইয়ের আভাস দিলেও বিরতির পর আর পেরে উঠল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রক্ষণভাগের ভুল আর লিসান্দ্রো মার্তিনেজের লাল কার্ডে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চেলসির কাছে ২-০ গোলে হেরেছে মাইকেল ক্যারিকের দল। 

Advertisement

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা নয় ম্যাচ জয়হীন থাকার বিব্রতকর রেকর্ডে পড়েছে তারা। ১৯৮৮ সালের পর এটিই ক্লাবটির দীর্ঘতম জয়হীন ধারা। বেড়েছে কোচ ক্যারিকের ওপর চাপও। 

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ তৈরি করেও কাজে লাগাতে পারেনি ইউনাইটেড। মাথেউস কুনহার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। 

ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও আমাদ দিয়ালোও সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। গোলশূন্য ছিল প্রথমার্ধ। বিরতির পর মাঠে ফিরেই চেলসির আক্রমণের মুখে পড়ে ইউনাইটেড। 

৫০ মিনিটে রক্ষণভাগের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গোলরক্ষক সেন ল্যামেন্সের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান মরগান রজার্স। তাতে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

এরপর ৬৩ মিনিটে বড় বিপদে পড়ে ইউনাইটেড। চেলসির কর্নার কিকের সময় ওয়েসলি ফোফানার মুখে হাত দিয়ে আঘাত করে বসেন মার্তিনেজ। ভিএআরে বিষয়টি ধরা পড়লে পেনাল্টি পায় চেলসি। 

একই ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় মার্তিনেজকে। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইউনাইটেড। একই ঘটনায় পেনাল্টিও পায় চেলসি। ৬৪ মিনিটে স্পটকিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কোল পালমার।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল চেলসি। এস্তেভাওয়ের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। তবে তাতে জয়ের পথে বাধা হয়নি স্বাগতিকদের।

এই জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে চেলসি। অন্যদিকে ৯ ম্যাচে মাত্র ৭ পয়েন্ট নিয়ে ১৬তম স্থানে নেমে গেছে ইউনাইটেড। 

অবনমন অঞ্চলের সাথে তাদের ব্যবধান মাত্র এক পয়েন্ট। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ নয় ম্যাচে তিন ড্র ও ছয় হার ক্যারিকের দলের। ১৯৮৮ সালের পর এটাই তাদের দীর্ঘতম জয়হীন ধারা।