
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোল উদযাপনই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়াল রিয়াল মাদ্রিদের জন্য। গোলটি বাতিল হওয়ার পাশাপাশি সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হলো ব্রাজিলিয়ান এ ফরোয়ার্ডকে।
এমতাবস্থায় ১০ জনের রিয়ালকে পড়তে হয় চাপের মুখে। তবে সেই চাপ সামলে শেষ পর্যন্ত ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে এক গোলের লিড ধরে রাখে লস ব্লাঙ্কোজরা। ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে হোসে মরিনিওর দল।
শনিবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথমার্ধে রিয়ালের আক্রমণে খুব একটা ধার ছিল না। কিলিয়ান এমবাপ্পে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাননি। তার একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক পিটার গুলাচিও কয়েক দফা দুর্দান্ত সেভ করে স্বাগতিকদের হতাশ করেন। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
ফেদেরিকো ভালভার্দের কাছ থেকে বল পেয়ে দূরের পোস্ট ঘেঁষে নিচু শটে ভিয়ারিয়ালের জালে বল পাঠান ইয়ান দিয়োমান্দে। রিয়ালের হয়ে আইভরিকোস্টের এই তরুণের এটিই প্রথম গোল।
এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ আসে রিয়ালের সামনে। বদলি হিসেবে নামা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ভিয়ারিয়ালের জালে বল পাঠিয়েও দেন। কিন্তু রেফারির সিদ্ধান্তে সেই গোল টেকেনি।
ভিএআরের সহায়তায় রিপ্লে দেখে রেফারি ইসিদ্রো দিয়াস দে মেরা নিশ্চিত হন, গোলের আগে ভিয়ারিয়ালের নাথান সালিবার চুল টেনেছিলেন ভিনিসিয়ুস। ফলে গোল বাতিলের পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে দেখানো হয় সরাসরি লাল কার্ড।
১০ জনে নেমে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই রক্ষণে মনোযোগ বাড়ায় রিয়াল। সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে ভিয়ারিয়ালও। কার্লোস রোমেরোর প্রচেষ্টা অবশ্য দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া।
শেষ দিকে এমবাপ্পেও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু ভিয়ারিয়ালের গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানের জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রিয়ালকে।
এই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা এবং শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সাথে ছয় পয়েন্টের ব্যবধান ধরে রেখেছে।
অন্যদিকে গেতাফেকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। মৌসুমের প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতেই জয় তুলে নিয়ে শীর্ষস্থান আরো শক্ত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যাথলেতিকো মাদ্রিদ আলাভেসকে ২-১ গোলে হারিয়ে বার্সার চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








