ব্রিটিশ লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা এড ডেভি
ব্রিটিশ লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা এড ডেভি। সংগৃহীত ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয়কে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দলের প্রতি মার্কিন ভোটারদের শাস্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন ব্রিটিশ লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা এড ডেভি। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে ব্রিটিশ সরকারের আরো দৃঢ় অবস্থান নেয়া উচিত।

Advertisement

মার্কিন কংগ্রেস নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে এড ডেভি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকান পার্টি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প শাস্তি পেয়েছেন। তবে ট্রাম্পের আপত্তিকর ও অশোভন আচরণও এই ফলাফলের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।’

রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয়কে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিদ্বেষ ও বিভাজন সৃষ্টিকারী নীতি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি প্রত্যাখ্যান করায় আমি মার্কিন জনগণের প্রশংসা করতে চাই।’

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরে ব্রিটিশ এই রাজনীতিক বলেন, ট্রাম্পের নীতির কারণে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ব্রিটেনের ডানপন্থী দলগুলোর অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, কনজারভেটিভ পার্টি ও রিফর্ম পার্টি—উভয়েই ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সেই ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধে ব্রিটেনকে যুক্ত করার পক্ষে ছিল, যার কারণে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে। আমার মতে, এখন তাদের জবাবদিহি করতে হবে।’

ব্রিটেনের ডানপন্থী রিফর্ম পার্টির নেতা নাইজেল ফারাজের নীতির সমালোচনা করে এড ডেভি বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশে ট্রাম্পের নীতি দেখতে চাই না। আমরা চাই না ট্রাম্পের আমেরিকার পরিণতি নাইজেল ফারাজের ব্রিটেনের হোক। মার্কিন জনগণের মতো ব্রিটিশ জনগণকেও বিভাজন ও বিদ্বেষ ছড়ানো নীতি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।’

সূত্র : পার্সটুডে