
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলোচিত ‘কোবরা গ্রুপ’ বা ‘সোহেল গ্রুপের’ প্রধান হিসেবে পরিচিত সোহেল খন্দকারকে বিদেশী অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) -১১।
গ্রেফতার সোহেলের বিরুদ্ধে ১৫টির বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী রিভলবার, পাঁচ রাউন্ড গুলি, ১০ গ্রাম হেরোইন ও একটি পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মিশনপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে সোহেল খন্দকারকে গ্রেফতার করা হয়।
এসআরবি-১১ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সোহেল খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লার কাঠেরপুল, শিবু মার্কেট, নামাপাড়া ও আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, জমি দখল, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সোহেল খন্দকারের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে ওঠে। ওই বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গার্মেন্টস মালিকদের জিম্মি করে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এসআরবি-১১-এর দাবি, সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধসহ ১৫টির বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর আগেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এসআরবি-১১ জানিয়েছে, গ্রেফতার সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








