
ফাইনালের মঞ্চে আবারো জ্বলে উঠলেন ফখর জামান। শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন তিনি। শুরুর ধাক্কা সামলে তার ব্যাটেই দিশা খুঁজে পায় পাকিস্তান। খেলেছেন ৯৯ বলে ১২৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।
তার ব্যাটে ভর করেই শ্রীলঙ্কার দেয়া ৩২৬ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে গেছে পাকিস্তান, জিতেছে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা। একই সাথে ২৮ বছর আগে গড়া সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন ফখর।
শনিবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২৫ রান করে শ্রীলঙ্কা। কামিন্দু মেন্ডিসের ব্যাটে আসে ১৩১ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, পাভান রাথনায়েকে করেন ৭৭।
জবাবে মাত্র ১৪ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। সেখান থেকে সাদ বেগকে নিয়ে ১৪৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন ফখর। সাদ করেন ৭৪ রান। সেই সাথে সেঞ্চুরি করেন ফখর।
এরপরও থামেননি। ইনিংসটা টানেন আরো কিছুক্ষণ। এরপর ফখর ফিরলেও আরাফাত মিনহাস নিশ্চিত করেন দলের জয়। ৪৮.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৩১ রান তুলে ৯ বল হাতে রেখেই ৩ উইকেটে জিতে যায় স্বাগতিকরা।
এই ইনিংসেই অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন ফখর। ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনালে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে শতক করেছিলেন তিনি।
এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের হয়ে ওয়ানডে ফাইনালে দুটি সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটার হলেন ফখর—প্রথমজন সাঈদ আনোয়ার।
সাঈদ আনোয়ার ১৯৯৩ সালের উইলস ট্রফির ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ও ১৯৯৮ সালের সিলভার জুবিলি ইন্ডিপেনডেন্স কাপের ফাইনালে সেঞ্চুরি করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন। ২৮ বছর পর সেই রেকর্ডের পাশে এবার ফখরের নাম।
ফখরের ৪ হাজার ওয়ানডে রানও পূর্ণ হয়েছে এই ইনিংসে। পাকিস্তানের হয়ে ৪ হাজার ওয়ানডে রান করা ১৬তম ব্যাটার ফখর। আর ১২তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিটি এনে দিয়েছে তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কারও।
এই জয়ে ঘরের মাঠে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানও হয়েছে—২০০৮ সালের পর প্রথমবার ঘরের মাটিতে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতল পাকিস্তান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








