শ্রমিক আন্দোলন
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উলাইলে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান। নয়া দিগন্ত

সাম্প্রতিক বিশৃঙ্খলা ও আন্দোলনের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ‘বর্তমান যে আন্দোলন কোনোভাবেই শ্রমিকদের আন্দোলন না। এটা শ্রমিক প্রতিনিধিরা আমাদের বলছেন। কাজেই এ নৈরাজ্য, একটি নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গ্রুপ। একটা ফ্যাসিস্ট গ্রুপ। যারা এ সমাজকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে, যারা শিল্পকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে।’

Advertisement

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উলাইলে আল-মুসলিম গার্মেন্টসের সামনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, শ্রমিকরা এখন আন্দোলনে নেই, শ্রমিকরা নিরাপদ পরিবেশে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরো যুক্ত করেন, ‘স্বাভাবিক পরিবেশ রাখতে পুলিশ ভোর থেকে মধ্যরাত অবধি কনস্টেবলসহ সিনিয়র অফিসার সবাই পরিশ্রম করে যাচ্ছে, শিল্পের পরিবেশ যেন ভালো থাকে। কারণ শিল্পই আমাদের অর্থনীতি বাঁচিয়ে রেখেছে।’

সাম্প্রতিক বিশৃঙ্খলা ও আন্দোলনের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ডিআইজি বলেন, ‘বর্তমান যে আন্দোলন কোনোভাবেই শ্রমিকদের আন্দোলন না। এটা শ্রমিক প্রতিনিধিরা আমাদের বলছেন। কাজেই এ নৈরাজ্য, একটি নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী গ্রুপ। একটা ফ্যাসিস্ট গ্রুপ। যারা এ সমাজকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে, যারা শিল্পকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে।’

গ্রেফতারদের পরিচয় তুলে ধরে তিনি স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেন, ‘সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর থেকে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা কেহ শ্রমিক না।’

সাভার ও আশুলিয়ায় ৮ মামলা, পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন সাভার-আশুলিয়ার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য প্রদান করেন। 

তিনি জানান, ‘সাভার-আশুলিয়া থানায় এ পর্যন্ত ৮টি মামলা হয়েছে। আশুলিয়া থানায় ৬টি, সাভার থানায় ২টি। বাকী মামলাগুলো প্রক্রিয়াধীন।’

বুধবারের সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে পুলিশ সুপার বলেন, বুধবার (৪ নভেম্বর) সাভার থানার একটি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে এবং সাভার মডেল থানার ওসিও কিছুটা আহত হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে।’

পুলিশের মূল লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মামলা দায়ের এবং গ্রেফতারের চেয়ে আমাদের কাছে প্রধান প্রাধান্য ছিল সাভার-আশুলিয়া যেন আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে এবং শ্রমিকরা যেন নিরাপদ থাকে এবং কলকারখানা যেন নিরাপদ থাকে।’