
ঢাকার আশুলিয়ায় ভাড়াবাসার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে হারুন (৩২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানাধীন কবিরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: জাহাঙ্গীর আলম।
এর আগে, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের মরিচকাটা এলাকার সোনামিয়া ভিলার দ্বিতীয় তলার কটি কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত হারুন সিরাজগঞ্জের ফরিদপুর থানাধীন রতনপুর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে। স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে ওই বাসায় থেকে গাজীপুরের পানিশাইল এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন তিনি। এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী রত্না পলাতক রয়েছেন।
প্রতিবেশীরা জানায়, পাঁচ মাস আগে ওই বাসার একটি কক্ষে মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন হারুন। তিন দিন আগে তার স্ত্রী ঘর তালাবদ্ধ করে বাইরে যায় কিন্তু আর ফিরে আসেনি। আজ দুপুরের পর ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তাদের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশে খবর দেয়া হয়।
খবর পেয়ে কবিরপুর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে হারুনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাঝে মাঝেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ হতো বলেও জানায় প্রতিবেশীরা।
নিহতের মেয়ের জামাই জানান, তিন দিন আগে তার শাশুড়ি গ্রামের বাড়িতে যায়। আজ পাশের ভাড়াটিয়াদের ফোন পেয়ে তিনি তার শাশুড়িকে ফোন দিয়ে বলেন যে, ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। বিষয়টি জানানোর পর তার শাশুড়ি ফোন কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখেন।
কবিরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধীকে ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








