
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, ধর্মীয় বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে সংঘাত তৈরি হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির কোনো বিকল্প নেই।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে বরিশাল নগরীর বিডিএস মিলনায়তনে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি প্রসারে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেন, ধর্মীয় বিভেদ ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী লাভবান হয়। তাই ধর্মীয় শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সমাজ ও ধর্মীয় নেতাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উসকানি প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে যেকোনো বিভেদ দূর করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
বরিশাল জেলার ফোর্ব ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক গাজী জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফোর্ব অ্যাজেন্ট অব চেঞ্জ প্রজেক্ট এবং পলিসি অ্যাডভাইজারের পরিচালক (অপারেশনস) চার্লস রিড, বরিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু এবং বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবায়েদুল হক চাঁন।
মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








