সংঘর্ষ, ইটভাটা, চাঁদাবাজি, গুলিবিদ্ধ, আহত, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
আধিপত্য বিস্তারের জেরে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়েছেন  । মানচিত্র

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদ বাহিনীর সাথে সামেদ আলী বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

Advertisement

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের আকবরনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের পর ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম। সম্প্রতি সামেদ ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইলে দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সকালে সামাদের এলাকা আকবর নগরে মহড়া দিতে যান হালিম। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংষর্ঘ শুরু হয়। 

সংঘর্ষের একপর্যায়ে সামাদের ছোট ছেলে হৃদয় গুলিবিদ্ধ হন এবং রাজু নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে হৃদয় ও রাজুকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

গুলিবিদ্ধ হৃদয় বলেন, ‘আমি বাসা থেকে বের হয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। এ সময় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হালিম তার সাথে থাকা পিস্তল দিয়ে আমাকে গুলি করেন।’

স্থানীয়দের দাবি, ইটভাটায় চাঁদাবাজি, মাটি ও শ্রমিক সরবরাহকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন একটি কমিশনভিত্তিক বাণিজ্য চলে আসছিল। মাটি সরবরাহ থেকে শুরু করে শ্রমিক সরবরাহ পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে কমিশন নেয়ার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে। 

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) শামিম হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।