কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, পুলিশ
দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। ফাইল ছবি

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স-সংলগ্ন এলাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ঘটে যাওয়া  ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো: এমদাদুল হককে।

Advertisement

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: মহিউদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ এবং সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান।

কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা শাখা) মোহাম্মদ ছাদেক হোসেন মজুমদারকে।

কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: এমদাদুল হক বলেন, অফিস আদেশ অনুযায়ী শিগগিরই সভায় বসে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে। সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুমিল্লা নগরের পুলিশ লাইন এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশি শুরু করেন তিন ব্যক্তি। এ সময় তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। পরে তাদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে ছিনতাইকারী সন্দেহে ওই তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা।

পরে তাদের মধ্যে একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), একজন কনস্টেবল এবং অপরজন পুলিশের সোর্স বলে পরিচয় নিশ্চিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়।