লোড হচ্ছে...
এই পুনরুদ্ধারের প্রধান চালক উৎপাদনশিল্প। চতুর্থ প্রান্তিকে উৎপাদনশিল্পের প্রবৃদ্ধি ৮.৬৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগের বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৩.২৮ শতাংশ। কিন্তু শিল্পের অন্যান্য উপখাতের তথ্য দেখায়, সবখানে সমান উন্নতি হয়নি।
১২ দিন আগে

গ্যাসসঙ্কটে দেশের শিল্প খাতে নেমে এসেছে স্থবিরতা। গ্যাসের চাপ ও সরবরাহের অনিশ্চয়তায় ইতোমধ্যে প্রায় ৪০০ গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। একই সাথে গ্যাসনির্ভর ভারী শিল্পে উৎপাদন সক্ষমতা নেমে এসেছে প্রায় ৫০ শতাংশে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় একদিকে যেমন উদ্যোক্তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে রফতানি আদেশ, শ্রমিকের কর্মসংস্থান এবং সরবরাহব্যবস্থায় তৈরি হচ্ছে নতুন চাপ। দীর্ঘস্থায়ী এই জ্বালানি সঙ্কট অব্যাহত থাকলে শিল্পের ক্ষতির পরিধি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এডিবির প্রতিবেদনের হিসাবে, ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি সামান্য বাড়লেও তা এখনো শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


