জামায়াতের নারী প্রতিনিধিত্বের দাবি বিভ্রান্তিমূলক : টিআইবি

বিশেষ সংবাদদাতা 

Advertisement

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিমূলক’ বলায় পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবি জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য না থাকায় পৃথক নারী কমিটির তথ্য দিয়ে দলের সর্বস্তরে নারীর অন্তর্ভুক্তির দাবি করার কোনো সুযোগ নেই। 
টিআইবির গবেষণা অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের প্রতিটি স্তরের কমিটিতে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়নে বড় ঘাটতি রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে কর্মপরিষদ ও মজলিসে শূরায় নারী সদস্য থাকার যে দাবি করা হয়েছে, সে বিষয়ে টিআইবি জানিয়েছে, গবেষণায় মূল  কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে নারীর অনুপস্থিতিকেই নির্দেশ করা হয়েছে। আলাদা নারী কমিটি গঠন করাকে মূল কাঠামোয় নারীর প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি বলার সুযোগ নেই এবং দলটির গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলেও সংস্থাটি দাবি করেছে। এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির পক্ষ থেকে কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন না দেয়ায় প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। গবেষণার তথ্য সঠিক ও নির্ভরযোগ্য দাবি করে টিআইবি জামায়াতকে নিজ দলের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।