
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি
গাজীপুরে চলমান পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলামকে সরাসরি নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে শ্রমিক বিক্ষোভে সম্পৃক্ত থাকতে দেখে তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির সুযোগ নিয়ে বহিরাগত ও অপশক্তি আন্দোলনের আড়ালে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাক শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিকদের দাবির মুখে শ্রম মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই ছয় সদস্যের একটি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। তবে নতুন বেতনকাঠামোর প্রক্রিয়া চালু হলেও গাজীপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে সহিংসতা, ভাঙচুর, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা থামছে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও পর্যালোচনা করে জানা গেছে, সাজবুল ইসলাম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, তার মতো আরো অনেকেই আড়ালে থেকে শ্রমিকদের উসকানি দিচ্ছেন। এই ধরনের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা শিল্পাঞ্চলের শান্ত পরিবেশকে ঘোলাটে করার এবং সরকারকে চাপে ফেলার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন ভিডিও ও তথ্য বিশ্লেষণে আন্দোলনে বহিরাগতদের উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততার স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রবিরোধী ও দুষ্কৃতকারী একাধিক গোষ্ঠী সুযোগ বুঝে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর পাঁয়তারা করছে। শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের অরাজকতা না ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








