অমিতের ডাবল সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক 
জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডের শেষ দিন পর্যন্ত ছিল ব্যাটারদের দাপট। চতুর্থ দিনে ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন অমিত হাসান। ১২ ছক্কায় ১৬৩ রানে অপরাজিত ছিলেন শাহ পরান। এ ছাড়া তিন অঙ্কের ছোঁয়া পেয়েছেন মিম মোসাদ্দেক ও নবীন ইসলাম। তবে চতুর্থ রাউন্ডে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে ঢাকা বিভাগ। আর অপর তিন ম্যাচই শেষ হয়েছে ড্র’তে। 
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে বোনাস পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে ঢাকা। আগের তিন ম্যাচ ড্র করা দলের এটি প্রথম জয়। সব মিলিয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে গেছে তারা। ঢাকার করা একমাত্র ইনিংস ছিল ৫২১ রানের। রাজশাহী প্রথম ইনিংসে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে ফলো-অনে পড়ে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০.৪ ওভারে ২৫৬ রানে অলআউট হয় তারা। এতে ইনিংস ও ১০৩ রানে জয়ী হয় ঢাকা। 
কক্সবাজারে প্রথম তিন দিনে সব মিলিয়ে মাত্র ৪ উইকেট পড়ার পরই ম্যাচের ফল নিশ্চিত হয়ে যায় ড্র। শেষ দিন অপেক্ষা ছিল অমিত হাসানের ডাবল সেঞ্চুরির। সেটি পূরণ করতে বেশি সময় নেননি উইকেটরক্ষক ব্যাটার। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এটি অমিতের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। ১৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩৫ বলে ২০১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অমিতের মাইলফলক পূর্ণ হতেই ৬ উইকেটে ৬৩২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে সিলেট। দিনের বাকি অংশে তেমন সুবিধা করতে খুলনা। মাচসেরা হন অমিত হাসান। 
সিলেটের একাডেমি মাঠে বরিশালের বিপক্ষে ১২১ রান করেছেন রংপুরের মিম মোসাদ্দেক। এতে দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুর ২৮৮ রান তোলার পর ম্যাচ ড্র হয়। ১০৪ রান করেন নবীন ইসলামও।
বগুড়ায় নাটকীয়তার আভাস ছিল ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম ম্যাচে। তবে শেষ পর্যন্ত নিষ্ফলা শেষ হয় ম্যাচ। ময়মনসিংহর করা প্রথম ইনিংসে ৪৬৫ রানের জবাবে শাহ পরানের প্রথম সেঞ্চুরিতে শাহ পরানের ১৬৩ রানের কল্যাণে ৫৯৯ রান করে চট্টগ্রাম। এতে ম্যাচ ড্র হয়।

Advertisement