বিদেশী কোচ চান সাত্তার-মাহাবুবরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
সদ্য সমাপ্ত এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের দুই কুস্তিগির একটি করে জয় পেয়েছেন। অবশ্য পরের ম্যাচে হেরেই বাদ। ৬৫ কেজিতে আবদুস সাত্তার হারিয়েছেন নেপালের কুস্তিগিরকে। আর ৫৭ কেজিতে মাহাবুব আলম হারিয়েছেন শ্রীলঙ্কার কুস্তিগিরকে। সাফ অঞ্চলের এই নেপাল ও শ্রীলঙ্কার কুস্তিগিররা বাংলাদেশের জন্য তেমন বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। আগামী এস এ গেমসে পদক জেতার জন্য মূল লড়াইটা হবে ভারত ও পাকিস্তানের কুস্তিগিরদের সাথে। এখন পর্যন্ত সাফ গেমস বা এস এ গেমস এতে বাংলাদেশ কুস্তি দলের অর্জন বলতে রৌপ্য পদক। স্বর্ণের দেখা মেলেনি। এস এ গেমসে ভারতের কুস্তিগির থাকলে বাংলাদেশে পক্ষে স্বর্ণ জয় করাটা বেশ কঠিন। তবে সাত্তার ও মাহাবুরের দাবি, বিদেশী কোচ এনে তার অধীনে দীর্ঘমেয়াদি ট্রেনিং করানো যায় তাহলে এস এ গেমসসহ আন্তর্জাতিক আসরে ভালো করতে পারবে বাংলাদেশ।
 কুমিল্লার সন্তান সাত্তার। চাকরি করেন বাংলাদেশ আনসারে। ২০২৩ সালে আনসারে যোগ দেয়া সাত্তার জানান, এই প্রথম আমি এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়েছি। আমাদের যদি ভালো ট্রেনিং করানো হয় তাহলে আমারও দেশকে রেজাল্ট এনে দিতে পারব।
সাত্তারের মতোই কুমিল্লা থেকে উঠে এসেছেন মাহাবুব। তারও কর্মস্থল বাংলাদেশ আনসার। তার আছে একটি আন্তর্জাতিক পদক। ২০১৮ সালে ইরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্কুল কুস্তিতে তিনি পাকিস্তানকে হারিয়ে তৃতীয় হন। এরপর কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কুস্তিতে অংশ নিয়ে কোনো পদক না পেলেও ভালো লড়েছিলেন। এছাড়া ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত কুস্তিতে চতুর্থ হন। মাহাবুব জানান, আমরা এস এ গেমস কুস্তিতে এখনও স্বর্ণ জয়ের আশা করতে পারছি না। তবে যদি ভালো ট্রেনিং পাই বিদেশী কোচের অধীনে এবং তা দীর্ঘা সময় ধরে তাহলে রৌপ্য জিততে পারব বলে আশা রাখি।
কুস্তি ফেডারেশনের সদস্য এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পাহলোয়ানের ছেলে তামজিদ রহমান জানান, আমরা এস এ গেমসে ভালো করার জন্য ইরান ও কিরগিজস্তান থেকে কোচ আনার চেষ্টা করছি। এ ছাড়া বিদেশী কোচ এনে রেফারি ও দেশী কোচদের মানোন্নয়নের  উদ্যোগ নিয়েছি। এই দেশী কোচদের আমরা জাতীয় দলে বিদেশী কোচের সহকারী হিসেবে রাখব।

Advertisement