মরিয়ম, নজরুল
মরিয়ম খাতুন ও নজরুল ইসলাম ফাইল ছবি

সাতক্ষীরার-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোসা: মরিয়ম খাতুনের (১৯) লাশ গলায় ফাঁস লাগা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। 

আজ রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় ২০৩ নম্বর ফ্লাট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমরা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি।’

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। ফলে মরিয়ম ঠিক কী কারণে বা কোন ঘটনার ক্ষোভ থেকে গলায় ফাঁস দিয়েছেন, তা পুলিশ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো চাপ বা রহস্য রয়েছে, তা উদঘাটনে সিআইডি ও পিবিআই’র ফরেনসিক টিম আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত চালাচ্ছে।

গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সাথে তাকে দেখা যায়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম জানান, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সামাজিক মিডিয়া ট্রল ও প্রকাশ্য বিতর্ক তরুণী মরিয়মের জন্য বড় ধরনের মানসিক চাপের কারণ ছিল বলে মনে করছেন অনেকে।

এরপর গত ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেয়া হয়।