শিক্ষার্থীরা যেন প্রযুক্তির ভালো দিকটা কাজে লাগায়

 ফেনী অফিস 

 পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘ছেলে-মেয়েদের বেশি বেশি পড়তে হবে, শিখতে হবে। শিখার কোনো বিকল্প নেই। নিজেদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে। ছেলে-মেয়েদের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। আর তারা যেন প্রযুক্তির ভালো দিকটা ব্যবহার করে।’
তিনি গতকাল বুধবার দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ বছরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সমাজ পরিবর্তন হচ্ছে। আগামীতে পরিবর্তন আরো দ্রুত গতিতে হবে। এতে আমাদের সন্তানদেরও পরিবর্তন হবে। সমাজের যে পরিবর্তন, এ পরিবর্তনের সাথে আমাদেরও  পরিবর্তন হতে হবে। এ পরিবর্তনের আমাদের ছেলে-মেয়েদের প্রস্তুত করতে হবে। অভিভাবকদের এ জন্য নিজেদেরও প্রস্তুত হতে হবে।  ‘মেধার আলোয় আলোকিত হোক ভবিষ্যৎ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফেনী জেলা প্রশাসক মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ১৬০ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। আতাতুর্ক সরকারি মডেল হাইস্কুল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো: শফী উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শাহীদুল ইসলাম।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীদুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়জুল আজীম নোমান,  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: ইসমাইল। 
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন দাগনভূঞা ইসলামীয়া আজিজয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক আহমেদ মজুমদার ও আতাতুর্ক সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান। 
কৃতী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন দাগনভূঞা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী অয়ন্তিকা দত্ত ও রামনগর কে এম সি উচ্চবিদ্যালয়ের জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী এম এ আহনাফ শাহরিয়া। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মাহবুবউল করিম বলেন, ‘ঝরে পরাটা আমাদের বড় সমস্যা।’ স্কুলে কিছুদিন আসার পর আসে না। তাদের নিয়মিত করার ব্যবস্থা করতে হবে।