লোড হচ্ছে...
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তারা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও সনদ যাচাইও শেষ হয়েছে। এরপর অপেক্ষা ছিল শুধু নিয়োগপত্রের। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় আট মাসের অপেক্ষার পর নিয়োগপত্র হাতে নিতে গিয়ে জানতে পারেন- তাদের কেউ কেউ আর নিয়োগ পাচ্ছেন না। বাদ পড়ার কারণও জানানো হয়নি অনেককে।
২২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট আগে

পোস্টে সোহান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। স্থায়ী ঠিকানা ও শিক্ষাগত সনদে কোনো সমস্যা নেই। তিনি বা তার পরিবারের কেউ কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নন। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অসদুপায়ও অবলম্বন করেননি। এমনকি তার স্বাস্থ্য পরীক্ষাতেও কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। এরপরও পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনে তাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখিয়ে নিয়োগ আটকে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তার।
১ দিন আগে


