লোড হচ্ছে...
রিমান্ডকৃতরা হলেন মো: শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, মো: শাহ আলম, মো: আতিকুর রহমান, মো: কামরুল ইসলাম, মো: নুর আলম, মো: রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ওরফে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও মো: সাজ্জাদ হোসেন মিশু।
২৪ দিন আগে

গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খাঁন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সাজ্জাদ হোসেন মিশু মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
৩ অক্টোবর, ২০২৬

তিনি বলেন, ‘আর যে মাস্তান আর চাঁদাবাজরা আমার শিশুর অধিকার, আমার মায়ের জাতির উপরে আঘাত করেছে, এদেরকে কঠিন শাস্তির কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। আর যদি সেটা করতে না পারেন, আপনারা বিদায়ের রাস্তা খুঁজুন।’
১ অক্টোবর, ২০২৬

রাড্ডা সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। ২০০৬ সালে শাহ আলী থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার থাকাকালে তিনি ওই সমিতির সভাপতি ছিলেন। সে সময় সমিতির নামে রাড্ডা সেন্টারের জায়গাটি বরাদ্দ চেয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের কাছে করা আবেদনে সভাপতি হিসেবে তার স্বাক্ষর ছিল বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
১ অক্টোবর, ২০২৬

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। তবে হামলা ও ভাঙচুরের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।
১ অক্টোবর, ২০২৬

এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হচ্ছে, মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। নয়জন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের অবহেলা ছিল, সেজন্য শাহআলী থানার ওসিকে প্রত্যাহার করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


