লোড হচ্ছে...
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শিব্বির আহমেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, এলপিজির দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে সরকার প্রতিবারই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও ভর্তুকির প্রসঙ্গ তুলে ধরে। কিন্তু কাঠামোগত অদক্ষতা ও অস্বচ্ছ চুক্তির দায় শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর চাপানো হচ্ছে। সরকার আন্তরিক হলে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব।
১ দিন আগে

যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অটোগ্যাস বিক্রেতাদের কমিশনও বাড়ানো হয়েছে।
২ দিন আগে

এলপিজি কোম্পানিগুলো ১২ কেজির সিলিন্ডারপ্রতি কমিশন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়াতে চায়। প্রস্তাবে ওমেরা পেট্রোলিয়াম ১৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা এবং মেঘনা গ্রুপ ৩০০ টাকা করার আবেদন জানিয়েছে। অন্য দিকে পরিবেশকেরা প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারে কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
৬ দিন আগে

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি খাত বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল নয়। এ পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সরকার সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করছে।’
২২ দিন আগে


