
- ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচিত কয়েকটি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করার আশা
- প্রায় ৭০০ অভিযোগ পেয়েছে প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুই বছরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৭০টি মামলার কার্যক্রম চলছে। এসব মামলায় আসামি ৫৫৮ জন। এর মধ্যে সাতটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এসব রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২২ জনকে মোট ২৩টি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান দু’টি পৃথক মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়ায় রায়ের সংখ্যা ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যায় এই পার্থক্য তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পেয়েছেন ৩৯ জন। একজন আসামি খালাস পেয়েছেন এবং একজনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে কারাভোগের মেয়াদকে সাজা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। দুই বছরে বিচারিক কার্যক্রমের এই অগ্রগতির পর এবার আলোচিত কয়েকটি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রসিকিউশন। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এসব মামলায় সাক্ষ্য উপস্থাপন শেষ করতে চান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক সেনাকর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে করা আলোচিত মামলাগুলো এই পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে। তবে ডিসেম্বরের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলেও ওই সময়ের মধ্যে মামলাগুলোর রায় ঘোষণা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের সাক্ষ্য এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের সময় নির্ধারণ করবেন।
গতকাল বুধবার পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে দু’টি ট্রাইব্যুনালে সাতটি মামলার রায় হয়েছে। বর্তমানে আরো ৭০টি মামলার কার্যক্রম বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে। প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা যৌথভাবে প্রায় ৭০০টি অভিযোগ পেয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে।
প্রসিকিউটর তামীম বলেন, মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়ে প্রসিকিউশন সন্তুষ্ট। একটি মামলার বিচার শেষ করতে গড়ে সাত থেকে আট মাস সময় লাগছে। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে মামলাভেদে সময়ের পার্থক্য রয়েছে। কোনো মামলায় তদন্ত শেষ করতে ছয় থেকে সাত মাস লাগছে, কোনো মামলায় এক বছর, আবার কোনো মামলায় দেড় বছরও প্রয়োজন হচ্ছে। প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সময় নিয়ে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
দুই বছরের বিচারিক কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রসিকিউশন জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ১২টি মামলায় ১২০ জন আসামির বিচার চলছে। তাদের মধ্যে ৩২ জন গ্রেফতার এবং ৮৮ জন পলাতক। এ ছাড়া তদন্তে সহায়তা ও প্রাক বিচার কার্যক্রম-সংশ্লিষ্ট ৩১টি বিবিধ মামলা রয়েছে এই ট্রাইব্যুনালে। এসব মামলায় ৭৩ জন আসামি গ্রেফতার এবং ৫৯ জন পলাতক। এর মধ্যে বিচার চলাকালে একজন আসামির মৃত্যু হয়েছে।
অন্য দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ ১৪টি মামলায় ২০৮ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচার চলছে। তাদের মধ্যে ৫২ জন আসামি উপস্থিত রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ ছাড়া তদন্ত কার্যক্রমের অধীনে প্রাক বিচার পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল-২-এ ২৬টি বিবিধ মামলা রয়েছে, যেখানে ২৭ জন আসামি রয়েছেন। দুই ট্রাইব্যুনালে নিয়মিত বিচারাধীন মামলা এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট বিবিধ মামলার কার্যক্রম বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান।
সাতটি মামলার রায়ে ৬৩ জনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত এসেছে বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তাদের মধ্যে ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৩৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একজন আসামি খালাস পেয়েছেন এবং একজনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে কারাভোগের মেয়াদকে সাজা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তবে একই আসামি একাধিক মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ও স্বতন্ত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য হতে পারে বলে প্রসিকিউশনের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসিকিউটর তামীম বলেন, ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর ট্রাইব্যুনালের অবকাঠামো ও কার্যক্রম নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছে। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির ভবন, বিচারকাজ পরিচালনার পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত করার কাজ এক সাথে এগিয়ে নিতে হয়েছে। প্রথমে টিনশেড ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ভবন সংস্কার করে সেখানে বিচারকাজ শুরু করা হয়। ধীরে ধীরে দু’টি ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হয়েছে। তার মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে অবকাঠামো ও কার্যক্রম গড়ে তোলার প্রয়োজন থাকায় কিছুটা সময় লেগেছে।
বিচারপ্রক্রিয়ার গতি নিয়ে আসামিপক্ষ ও ভুক্তভোগীদের ভিন্নমুখী অভিযোগের বিষয়ে প্রসিকিউটর বলেন, আসামিপক্ষের অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার করা হচ্ছে। অন্য দিকে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিচার পেতে অনেক সময় লাগছে। তবে প্রসিকিউশনের অবস্থান হলো, আইন অনুযায়ী উভয় পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দিয়ে যতটুকু সময় প্রয়োজন, ততটুকুই নেয়া হচ্ছে। অযথা দ্রুত বিচার করা কিংবা অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কোনোটিই কাম্য নয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষের আইনগত অধিকার রক্ষা এবং ভুক্তভোগীদের বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা, দুই বিষয়ই বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
প্রসিকিউশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সাবেক সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে তাদের হাতে এসেছে। তবে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। অভিযোগপত্র প্রস্তুতের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রধান প্রসিকিউটরের অনুমোদন পাওয়ার পর তা ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এসব অভিযোগ দাখিল করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন প্রসিকিউটররা। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণও চলছে। বুধবার এ মামলায় ষষ্ঠ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের কার্যক্রম চলছিল। দুই আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। প্রসিকিউটর তামীম বলেন, ২০১০ সালে তৎকালীন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এখন সেই ট্রাইব্যুনালেই তাকে আসামি হিসেবে বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়ার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। প্রত্যেকেরই মনে রাখা উচিত, কারো ওপর যেন অবিচার না হয় এবং কাউকে যেন অন্যায়ভাবে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে না হয়।
আলোচিত মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে প্রসিকিউশন জানায়, সাবেক সেনাকর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দী শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে জেরা চলছে। জুনাইদ আহমেদ পলক ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের মামলাতেও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রায় শেষের দিকে। রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলামের মামলায়ও বেশ কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এসব মামলায় ডিসেম্বরের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য উপস্থাপন শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন প্রসিকিউটররা। তবে এরপর আসামিপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্কের জন্য কত সময় লাগবে, তা ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করবেন।
এ দিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রমও চলছে। প্রসিকিউটর জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগের পর দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিচারপ্রক্রিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন হওয়ায় তদন্তের পরিধি বিস্তৃত। দলের কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাই করতে হচ্ছে। এ কারণে তদন্ত শেষ করতে কত সময় লাগবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করা নিয়ে আসামিপক্ষের আপত্তির জবাবে প্রসিকিউটর বলেন, ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ একাধিক আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারের বিধান রয়েছে। ২০০৯ সালে আইন সংশোধন করে বেসামরিক ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার বিধান যুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের নভেম্বরে আইন সংশোধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইনের বিভিন্ন সংজ্ঞা ও মানদণ্ড অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে তিনি জানান। তার বক্তব্য, বর্তমান মামলাগুলোতে যুদ্ধাপরাধ নয়, বরং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ফলে যুদ্ধ সংঘটিত হওয়া আবশ্যক- এমন যুক্তি এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে মনে করে প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউটর আরো বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং প্রচলিত ফৌজদারি আইনে করা অপরাধের বিচার পৃথক বিষয়। একই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অভিযোগের ধরন অনুযায়ী উভয় আইনের অধীনে বিচার চলতে পারে। ফলে ট্রাইব্যুনালে কারও বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হলেও প্রচলিত আইনে অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার বিচার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে, এমন নয়।
দুই বছরের কার্যক্রমে প্রসিকিউশন সন্তুষ্ট কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তামীম বলেন, অন্যান্য সময়ের ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের সাথে তুলনা করলে বর্তমান বিচারপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক ও আইনসম্মতভাবে এগোচ্ছে বলে তারা মনে করেন। সরকার, বিচারপ্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। বিচারপ্রক্রিয়ার গতি নিয়ে সমালোচনা থাকলেও আইন অনুযায়ী উভয় পক্ষকে সুযোগ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছর পূর্তিতে মামলার সংখ্যা, রায় এবং তদন্তের পরিসংখ্যান তুলে ধরার পাশাপাশি প্রসিকিউশন আগামী কয়েক মাসের কর্মপরিকল্পনাও স্পষ্ট করেছে। ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচিত কয়েকটি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা তাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য। একই সাথে সাবেক মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল, প্রায় ৭০০ অভিযোগের যাচাই-বাছাই এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তও সামনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে রয়েছে। তবে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়া, পূর্ণাঙ্গ বিচার শেষ হওয়া এবং রায় ঘোষণার মধ্যে যে পৃথক ধাপ রয়েছে, সেগুলো সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্ভর করবে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী কার্যক্রম ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








