
দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় করলে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।
বৃহস্পতিবার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক সংবাদপত্রে পাঠানো এক বিবৃতিতে তা দেশের প্রচলিত আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয় ও এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর নেতৃবৃন্দের মধ্যে এলপিজি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় জানানো হয়, দেশে বর্তমানে এলপিজি আমদানির পরিমাণ সন্তোষজনক। বিশেষ করে গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট এবং বাজারে কোনো কৃত্রিম সংকটের সুযোগ নেই। গত আগস্ট মাসেও ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্বেও যদি কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় করেন এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে মজুদ করেন, তবে তা প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এমন অনিয়মে জড়িত যে কারও বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করবে।
বিবৃতিতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (লোয়াব) এর পক্ষ থেকে সকল সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতাদের অবিলম্বে বাংলাদেশ বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রয় নিশ্চিত করার জোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে, সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে লোয়াব সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের সাথে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








