
মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত দিয়ে ছয়জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বাধার মুখে বিএসএফের এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৯টা ১৭ মিনিটের দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধীন রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুশ-ইনের চেষ্টার শিকার ওই ছয়জনের মধ্যে দু’জন পুরুষ ও চারজন নারী রয়েছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তে নিয়োজিত টহল দল সতর্ক অবস্থান নেয়। বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় পুশইনের বিষয়টি শনাক্ত হয় এবং বিএসএফের প্রচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়। পরে বিজিবির দৃঢ় অবস্থান ও কার্যকর উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে সকাল ৮টার দিকে বিএসএফের ১১ ব্যাটালিয়নের দীঘলকান্দি ক্যাম্পের সদস্যরা ওই ছয়জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেন।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা, দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইনের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির সদস্যরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছেন।’
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং সীমান্ত এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








