লোড হচ্ছে...
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম এখন তাদের "হত্যার লক্ষ্যবস্তু" হয়েছেন। উত্তর ইসরায়েলের হাইফায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহ রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর পর লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হওয়ার পরপরই এই ঘোষণা এলো। হিজবুল্লাহ জানিয়েছিল, খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা ওই হামলা চালিয়েছিল।
২ মার্চ, ২০২৬
কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (২ মার্চ) এই ঘটনার পর দূতাবাস চত্বরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং ভবন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হামলার পরপরই সেখানে জরুরি সাইরেন বাজছে এবং ধোঁয়া উড়ছে। এর আগেই সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় দূতাবাসের কর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছিল মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
২ মার্চ, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘ন্যায্য অভিযান’ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, যতক্ষণ না ‘সব লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে’, ততক্ষণ এই লড়াই চলবে। এই প্রক্রিয়ায় আরও মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
২ মার্চ, ২০২৬
কুয়েত সিটি থেকে মাত্র ৩২ কিলোমিটার দূরে, আল-জাহরা শহরের ওপর আজ দুপুরে হঠাৎ একটা যুদ্ধবিমান আকাশ থেকে খসে পড়ে। আল জাজিরার যাচাই করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিশাল কালো ধোঁয়ার স্তম্ভ আকাশ ছুঁয়ে উঠছে। আগুনের শিখা আর ধোঁয়ার মেঘে পুরো এলাকা ঢেকে গেছে। অনিশ্চিত সূত্র বলছে, এটা ছিল একটা মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট।
২ মার্চ, ২০২৬
সপ্তাহান্তে যখন দোহা, দুবাই ও মানামায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, তখন শুধু কাঁচ আর কংক্রিটই ভাঙেনি—বরং মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অংশের সংঘাত ও সংকট থেকে দূরে থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোর তিল তিল করে গড়ে তোলা ‘স্থিতিশীলতার মরূদ্যান’ ভাবমূর্তিতেও বড় আঘাত লেগেছে।
২ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট ছোড়ার পর এক বৈঠকে দেশটির সেনাপ্রধান আইয়াল জাজির এই ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, "আমরা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করেছি।" এদিকে লেবানিজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।
২ মার্চ, ২০২৬
‘কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফট’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পার্সি মনে করেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশল ছিল—যতক্ষণ না কেউ আত্মসমর্পণ করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত একের পর এক জ্যেষ্ঠ নেতাদের হত্যা করে যাওয়া।
২ মার্চ, ২০২৬
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন, যেখানে বলা হয়েছিল তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরুর জন্য নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসব না।”
২ মার্চ, ২০২৬
উত্তর ইসরায়েলের হাইফায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহ রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বোমাবর্ষন করেছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। সোমবার ভোরে ইরান-সমর্থিত লেবানিজ সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এবং "লেবানন ও তার জনগণকে রক্ষা" করতে তারা এই হামলা চালিয়েছে। এছাড়া "ইসরায়েলের ক্রমাগত আগ্রাসনের জবাব" হিসেবেও এই হামলাকে অভিহিত করা হয়েছে।
২ মার্চ, ২০২৬
রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় চারজন উত্তরদাতার মধ্যে মাত্র একজন সমর্থন জানিয়েছেন। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৪৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন, তাঁরা এই যুদ্ধের বিপক্ষে, আর ২৯ শতাংশ বলেছেন তাঁরা এ বিষয়ে নিশ্চিত নন।
২ মার্চ, ২০২৬
উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধ যেভাবে গভীর পরিবর্তনের সূচনা করবে
২ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হলেও, দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ জীবিত ও অক্ষত রয়েছেন। রবিবার তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২ মার্চ, ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
২ মার্চ, ২০২৬
শনিবার ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে—গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বিষয়টি এখন নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি ভেঙে পড়ল।
২ মার্চ, ২০২৬
লেবানিজ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তারা হাইফায় একটি ইসরায়েলি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তারা একে "লেবানন ও তার জনগণকে রক্ষা এবং ইসরায়েলের ক্রমাগত আগ্রাসনের জবাব" হিসেবে উল্লেখ করেছে।
২ মার্চ, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, যতক্ষণ না ‘সব লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে’, ততক্ষণ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযান অব্যাহত থাকবে। ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে তিনি তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানান যে, আরও মার্কিন হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে।
২ মার্চ, ২০২৬
মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনাটি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির নেতৃত্বের ওপর সবচেয়ে বড় আঘাতগুলোর একটি। এই ঘটনায় তার সমর্থকদের মধ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। খোমেনিই ছিলেন সেই নেতা, যিনি মার্কিন-সমর্থিত শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধে ইসলামি বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
১ মার্চ, ২০২৬
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা চালায়, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্যদের উদ্দেশে একটি বার্তা পাঠান। তিনি দাবি করেন, তারা যেন আত্মসমর্পণ করে, নতুবা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকে। ট্রাম্প বলেন, "ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড, সশস্ত্র বাহিনী এবং সমস্ত পুলিশ সদস্যদের আমি আজ রাতে বলছি, আপনারা অস্ত্র সমর্পণ করুন এবং পূর্ণ নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) গ্রহণ করুন। অথবা এর বিকল্প হিসেবে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হোন। তাই অস্ত্র ফেলে দিন। আপনাদের সঙ্গে পূর্ণ নিরাপত্তা সহকারে ন্যায্য আচরণ করা হবে, অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যু অবধারিত।"
১ মার্চ, ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, দেশটিতে "সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আজ একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনার কাজ করবে।" আব্বাস আরাকচি বলেন, "আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের ওপর কোনো বাধা বা সীমাবদ্ধতা নেই।" তিনি আল জাজিরাকে আরও বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার ঘটনাটি "অত্যন্ত গুরুতর, নজিরবিহীন এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।" সর্বোচ্চ নেতার এই হত্যাকাণ্ড চলমান সংঘাতকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলবে।
১ মার্চ, ২০২৬
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান তাদের অভিযান শুরু করার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত তিনজন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ১৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে, যার মধ্যে ১৫২টি ধ্বংস এবং দুটি ক্রুজ মিসাইল প্রতিহত করা হয়েছে।
১ মার্চ, ২০২৬

