লোড হচ্ছে...
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে আসা ইরানি ড্রোনগুলোকে আকাশে থাকা অবস্থাতেই নিষ্ক্রিয় (ধ্বংস) করেছে ফরাসি ‘রাফাল’ যুদ্ধবিমান। উল্লেখ্য, আমিরাতে ফরাসি নৌ, বিমান ও সেনাবাহিনীর শত শত সদস্য অবস্থান করছেন।
৪ মার্চ, ২০২৬
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া যেকোনো ইরানি নেতাকেই হত্যার চেষ্টা চালাবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এক বিবৃতিতে কাৎজ বলেন, "ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মুক্ত বিশ্ব ও আঞ্চলিক দেশগুলোকে হুমকি দেওয়া এবং ইরানি জনগণের ওপর নিপীড়ন চালানোর উদ্দেশ্যে ইরানের সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠী যাকে পরবর্তী নেতা হিসেবে নিয়োগ দেবে, তাকে নিশ্চিতভাবে খতমের লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।"
৪ মার্চ, ২০২৬
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, পাকিস্তানের করাচি ও লাহোর কনস্যুলেটে কর্মরত 'অত্যাবশ্যকীয় নন' (নন-ইমার্জেন্সি) এমন কর্মীদের সপরিবারে পাকিস্তান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে গত রবিবার করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভ হয়। সেসময় কিছু বিক্ষোভকারী কনস্যুলেট ভবনে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করলে যে সংঘর্ষ হয়, তাতে ১০ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হন। এই ঘটনার পরই মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
৪ মার্চ, ২০২৬
এই যুদ্ধ চালিয়ে নিতে কংগ্রেসের সম্মতি গ্রহণে ট্রাম্প প্রশাসনকে বাধ্য করার জন্য বেশ কিছু প্রস্তাব (রেজ্যুলেশন) আনা হয়েছে। তবে এসব আইন পাসের সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ সামান্য ব্যবধানে হলেও মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ—সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ—বর্তমানে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।
৪ মার্চ, ২০২৬
নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ওই এলাকাতেই মার্কিন দূতাবাসের লজিস্টিক্যাল সাপোর্ট ক্যাম্প (রসদ সরবরাহ কেন্দ্র) লক্ষ্য করে একটি হামলার খবর আমরা জানিয়েছিলাম।
৪ মার্চ, ২০২৬
শনিবার ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মধ্য দিয়ে দেশ দুটির (যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান) দীর্ঘদিনের সংঘাত এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। এটি দুই দেশের মাঝে সরাসরি সামরিক লড়াইয়ের সূচনা করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে এই যুদ্ধাভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ চলতে পারে, তখন আমরা এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি—মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এই যুদ্ধের ব্যয়ভার কি ওয়াশিংটন বহন করতে পারবে? এবং শেষ পর্যন্ত এর জন্য তাদের কত মূল্য চোকাতে হবে?
৪ মার্চ, ২০২৬
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের যুদ্ধের কারণে নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর একটি বিরল যাত্রায় অপরিশোধিত তেল বোঝাই করতে হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বন্দরে পৌঁছেছে একটি তেলের ট্যাংকার। সূত্র ও জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারী (ট্র্যাকিং) ডেটার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি পৌঁছানোর পর গত ২ মার্চ গভীর রাতে ‘পোলা’ নামের ট্যাংকারটি এর এআইএস ট্র্যাকার বন্ধ করে দেয়। এরপর মঙ্গলবার আবুধাবি উপকূলে জাহাজটির পুনরায় খোঁজ মেলে।
৪ মার্চ, ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ যখন ধ্বংসাত্মকভাবে আরও একটি দিন পার করছে, তখন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাজনীতিকরা নিজেদের দীর্ঘদিনের লালিত মতাদর্শকে বৈধতা দিতে এই অনিশ্চয়তার মাঝেও একটি পরিষ্কার আখ্যান দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। ইসরায়েল কথা বলছে "মধ্যপ্রাচ্য বদলে দেওয়া" নিয়ে, আর যুক্তরাষ্ট্রের মুখে "মার্কিন জনগণকে রক্ষার" বুলি। উভয়েই জপমালার মতো "সরকার পতন"-এর কথা জপছে, যদিও ইরানের প্রেক্ষাপটে এর সম্ভাবনা এখনও অস্পষ্ট।
৪ মার্চ, ২০২৬
মঙ্গলবার দিনের শুরুর দিকে যে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল, সে বিষয়ে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। তাদের দেওয়া ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, কাতারকে লক্ষ্য করে ইরান থেকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। কাতারের প্রতিরক্ষা বাহিনী এর একটিকে আকাশেই ধ্বংস করতে (ইন্টারসেপ্ট করতে) সক্ষম হলেও অপরটি আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে গিয়ে আঘাত হানে।
৪ মার্চ, ২০২৬
যুদ্ধের জন্য সিনেটের অনুমোদনের বিষয়টি কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট এবং অল্প কয়েকজন রিপাবলিকান নেতার সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তারা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন কোনো ধরনের যথাযথ আইনি অনুমোদন ছাড়াই এই যুদ্ধে জড়িয়েছে।
৪ মার্চ, ২০২৬
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং জেদাল টিভির উপস্থাপক আলি আলিজাদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো সম্পদ ইরানের রয়েছে এবং সময় এখন তাদের অনুকূলেই আছে। লন্ডন থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, "আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে, ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলটি পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তুলনায় অত্যন্ত সস্তা দেশীয় প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন এবং অন্যান্য সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।"
৪ মার্চ, ২০২৬
গত কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী বৃহত্তর বৈরুতের অন্তর্গত হাজমিয়েহ এবং বাবদা সীমান্তবর্তী এলাকায় বোমা হামলা চালিয়েছে। কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এটি নির্দিষ্ট কাউকে গুপ্তহত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকতে পারে। মূলত 'কমফোর্ট হোটেল'-কে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। তবে এ ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ঠিক কাকে বা কী লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানায়নি।
৪ মার্চ, ২০২৬
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রাপ্ত একান্ত (এক্সক্লুসিভ) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর চাপে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেয়। এই সিদ্ধান্তটি এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি এবং আলি খামেনির দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৪ মার্চ, ২০২৬
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ তিন সদস্যের একটি কাউন্সিল বর্তমানে ইরান পরিচালনা করছে। অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা বহাল থাকবে। গতকাল আমরা খবর পেয়েছিলাম যে, কোম শহরে এই পরিষদের একটি ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি, এটি একটি পুরনো ভবন এবং সেখানে নতুন নেতা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম চলছিল না। ওই হামলায় হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা সম্পর্কে এখনো কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
৪ মার্চ, ২০২৬
সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পক্ষে এক জটিল যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল, যার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানত। তাই ওয়াশিংটনকে আগেই ইরানের ওপর ‘প্রিএম্পটিভ’ বা আগাম হামলা চালাতে হয়েছে।
৪ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল মার্ক কিমিট ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যুদ্ধ এবং এর উদ্দেশ্য নিয়ে আরও বিস্তারিত কথা বলেছেন। তিনি বলেন, "বাইরে কিছু বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা থাকলেও, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যগুলো পরিষ্কার। আর তা হলো—দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটানো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা কমিয়ে আনা এবং তাদের প্রক্সি নেটওয়ার্ক বা ছায়াযুদ্ধের জাল নির্মূল করা।"
৪ মার্চ, ২০২৬
ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই চলমান সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে ফের ড্রোন হামলা করেছে ইরান। স্থানীয় সময় সোমবার এই হামলা হয় বলে সিএনএন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে।
৩ মার্চ, ২০২৬
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। আমিরের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরানের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে কাতারের প্রতি রাশিয়ার সংহতি প্রকাশ এবং যেকোনো ধরনের সমর্থন বা সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানানোয় শেখ তামিম প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
২ মার্চ, ২০২৬
পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, মার্কিন বাহিনী অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট (সার্জিক্যাল) এবং প্রবল (ওভারহোয়েলমিং) কায়দায় হামলা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন সামরিক অভিযান কোনো ‘অন্তহীন যুদ্ধে’ পরিণত হবে না। চারজন মার্কিন সেনা নিহতের খবর প্রসঙ্গে হেগসেথ স্বীকার করেন যে, এই অভিযানে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে হামলায় অন্তত ১৬৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
২ মার্চ, ২০২৬

