
- তিতাসে দুই কূপ খননে ৫৯২ কোটি টাকা
- ব্যয় কমল ৪০ কোটি, ৩ বছরে বাস্তবায়নের লক্ষ্য
- দৈনিক ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস ও ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়ার আশা
- প্রকল্প ব্যয়ের ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা দেবে সরকার
দেশে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, অথচ কমছে পুরনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন। এ অবস্থায় ব্যয়বহুল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দু’টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন করা হবে। এ জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা। প্রাথমিক প্রস্তাবের তুলনায় ব্যয় কমানো হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটির কাজ ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন কূপ দু’টি থেকে দৈনিক প্রায় তিন কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পাশাপাশি ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের আওতাধীন এবং পেট্রোবাংলার অধীন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে দেবে। বাকি ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা জোগান দেবে বিজিএফসিএল নিজস্ব তহবিল থেকে। পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) পর্যালোচনায় ব্যয়ের বিভিন্ন খাতে অসঙ্গতি চিহ্নিত হওয়ার পর প্রস্তাবিত ব্যয় কমানো হয়। সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব যাচাই শেষে এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে ২০ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর সরকারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেয়া এ প্রকল্পের গুরুত্ব কেবল নতুন দু’টি কূপ খননের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সাথে যুক্ত রয়েছে গ্যাস সংগ্রহের পাইপলাইন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় খনন অবকাঠামো তৈরি এবং উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা। তবে প্রকল্পটির প্রত্যাশিত সুফল নির্ভর করবে কূপ দু’টির প্রকৃত উৎপাদনক্ষমতা, বাস্তবায়নের সময়সূচি এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের ওপর।
ব্যয় কমল যেভাবে
প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছিল ৬৩২ কোটি টাকা। গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত পিইসির সভায় প্রস্তাবিত ব্যয়ের বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে ৪০ কোটি টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে বিজিএফসিএল ৬ সেপ্টেম্বর সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেয়। তাতে বিস্তারিত নকশা, ব্যয়ের বিভাজন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংশোধিত প্রস্তাবটি পিইসির সিদ্ধান্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে পরিকল্পনা কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল আপৎকালীন ব্যয় বরাদ্দ কমানো। প্রকল্পের ভৌত আপৎকালীন ব্যয় পাঁচ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং মূল্যজনিত আপৎকালীন ব্যয় ২২ কোটি ১১ লাখ টাকা কমানো হয়েছে। এ ছাড়া পরামর্শক নিয়োগ, যানবাহন ভাড়া, বীমা, টেলিফোন, ভ্রমণ এবং গুদাম মেরামতের মতো খাতও পর্যালোচনা করা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রস্তাবে তিন শ্রেণীর বিদেশী পরামর্শক নিয়োগের পরিকল্পনা থাকলেও পিইসি দু’টি বিদেশী ও একটি দেশী পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন দেয়। দু’টি যানবাহন ভাড়ার পরিবর্তে একটি যানবাহনের সংস্থান রাখা হয়। পাশাপাশি রাস্তা, কালভার্ট, রাসায়নিক দ্রব্যের গুদাম, নিরাপত্তাচৌকি ও আনসার ক্যাম্প নির্মাণের মতো কয়েকটি কাজ প্রকল্পের ব্যয় থেকে বাদ দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কিছু স্থাপনা পরে বিজিএফসিএলের নিজস্ব উন্নয়ন বাজেট থেকে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্য দিকে ডলারপ্রতি টাকার বিনিময়মূল্য ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা ধরে হিসাব করায় খনন সরঞ্জাম ভাড়ার ব্যয় তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পের ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে এক দিকে অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত বরাদ্দ ছাঁটাই করা হয়েছে, অন্য দিকে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়মূল্যজনিত বাড়তি ব্যয়ও বিবেচনায় নিতে হয়েছে।
তিতাসে দৈনিক ৩৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন
বিজিএফসিএল দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ছয়টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৪৮ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্র সবচেয়ে বড় উৎপাদনকেন্দ্র।
প্রকল্পের নথির তথ্যে বলা হয়েছে, তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে খনন করা ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। নতুন দু’টি কূপ চালু হলে সেখান থেকে দৈনিক আরো প্রায় তিন কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে অন্য কূপগুলোর উৎপাদন অপরিবর্তিত থাকলে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মোট দৈনিক উৎপাদন প্রায় ৩৬ কোটি ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে। তবে নতুন কূপ চালুর আগেই বিদ্যমান কূপগুলোর উৎপাদন কমে গেলে প্রকৃত উৎপাদন বৃদ্ধির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পরিচালিত ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের তথ্য পর্যালোচনার ভিত্তিতে নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। বিজিপি ইনকরপোরেটেড এবং চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত জরিপের তথ্য বিশ্লেষণে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে ১৬টি ইনফিল কূপ ও একটি গভীর কূপ খননের সুপারিশ করা হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ কূপকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
সরকারের ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খননের পাশাপাশি পুরনো কূপের উৎপাদনক্ষমতা ধরে রাখা গেলে দেশীয় গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি কিছুটা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
গ্যাসের পাশাপাশি মিলবে কনডেনসেট
প্রকল্পের আওতায় নতুন দু’টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের সাথে পাওয়া তরল হাইড্রোকার্বনকে কনডেনসেট বলা হয়। গ্যাস থেকে পৃথক করে এটি সংগ্রহ ও বিক্রি করা যায়। ফলে নতুন কূপ দু’টি থেকে গ্যাসের পাশাপাশি কনডেনসেটও সম্ভাব্য আয়ের উৎস হবে।
প্রকল্পের নথি উদ্ধৃত করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ৬০ হাজার ৮৮৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদনের প্রাক্কলন করা হয়েছে। ওয়েলহেড বা কূপমুখের মূল্য বিবেচনায় এই গ্যাস ও কনডেনসেটের সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৩৩৯ কোটি সাত লাখ টাকা হতে পারে। অন্য দিকে ভোক্তা পর্যায়ের গ্যাসমূল্য ধরে শুধু গ্যাসের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ছয় হাজার ৫২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বলে প্রকল্পের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
প্রকল্পের আর্থিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় ১২ শতাংশ ডিসকাউন্ট রেট ধরে আর্থিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার (এফআইআরআর) প্রায় ৫৬ শতাংশ এবং আর্থিক নিট বর্তমান মূল্য (এনপিভি) প্রায় দুই হাজার ২৮১ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এসব সূচক প্রকল্পটির আর্থিক সম্ভাবনা তুলে ধরে। তবে বাস্তবে উৎপাদন, গ্যাসের বিক্রয়মূল্য, পরিচালন ব্যয় ও কূপের কার্যকর আয়ুষ্কাল প্রাক্কলনের সাথে না মিললে চূড়ান্ত আর্থিক ফলও পরিবর্তিত হতে পারে।
পাইপলাইন নির্মাণ ও বিদেশী ঠিকাদার নিয়োগ
প্রকল্পের আওতায় কূপ খননের পাশাপাশি প্রায় দুই কিলোমিটার গ্যাস সংগ্রহের পাইপলাইন নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন কূপ থেকে উত্তোলিত গ্যাস বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহব্যবস্থার সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া খননকাজের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ, রিগ স্থাপনের স্থান প্রস্তুত এবং তৃতীয় পক্ষের প্রকৌশলসেবাসহ সমন্বিত খননকাজ সম্পন্ন করা হবে।
এ জন্য বিদেশী ঠিকাদার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাজের মধ্যে খনন সরঞ্জাম ও উপকরণ সরবরাহ, প্রকৌশলসেবা এবং রিগ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে শেষ করতে ঠিকাদার নির্বাচন, সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং নির্মাণকাজের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
কারণ, কূপ খনন সম্পন্ন হলেও পাইপলাইন ও অন্যান্য অবকাঠামো প্রস্তুত না থাকলে উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। তাই প্রকল্পের বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে কূপ খনন ও গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা চালুর কাজ একই সময়সূচির মধ্যে এগিয়ে নিতে হবে।
এলএনজি আমদানি কমানোর লক্ষ্য
দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বৃদ্ধি পেলে আমদানি ব্যয় বাড়ে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি সরবরাহের ব্যয়ও বেড়ে যেতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের নতুন দু’টি কূপ থেকে দৈনিক তিন কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে আমদানিনির্ভর জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ কমাতে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ভূমিকা থাকতে পারে।
তবে নতুন কূপ থেকে উৎপাদিত গ্যাসের পুরোটা যে আমদানি প্রতিস্থাপন করবে, তা নিশ্চিত নয়। এর জন্য দেশের মোট গ্যাসের চাহিদা, বিদ্যমান উৎপাদনের পতন, বিভিন্ন খাতে গ্যাসের বরাদ্দ এবং নতুন কূপের প্রকৃত উৎপাদনক্ষমতা বিবেচনা করতে হবে। উৎপাদন শুরু হতে দেরি হলে কিংবা প্রত্যাশার তুলনায় কম গ্যাস পাওয়া গেলে প্রকল্পটির সুফলও কমে আসতে পারে।
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করাই বড় চ্যালেঞ্জ
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অর্থাৎ প্রায় তিন বছরের মধ্যে কূপ খনন, সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ ও গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে উৎপাদন শুরু পিছিয়ে যেতে পারে এবং প্রত্যাশিত আর্থিক সুফল অর্জনেও বিলম্ব হতে পারে।
প্রকল্পের ব্যয় ৪০ কোটি টাকা কমানো ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি ব্যবস্থাপনা ও কাজের মান নিশ্চিত করা জরুরি। বিদেশী সরঞ্জাম আমদানি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়মূল্যের পরিবর্তন এবং খননকাজের কারিগরি জটিলতা প্রকল্পের সময় ও ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
সব মিলিয়ে, তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ কূপ খনন প্রকল্প দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তবে ৫৯২ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে কূপ দু’টির উৎপাদনক্ষমতা, নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং উত্তোলিত গ্যাস দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার ওপর। প্রত্যাশিত উৎপাদন অর্জিত হলে দেশের জ্বালানি সরবরাহে ইতিবাচক অবদান রাখার পাশাপাশি এলএনজি আমদানির ব্যয় কমাতেও প্রকল্পটি সহায়ক হতে পারে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








