
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের শূন্য আসনে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে কাঙ্ক্ষিত উপনির্বাচন। মোট ১৮৫টি ভোটিং সেন্টারে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই ভোটগ্রহণ।
ঐতিহ্যবাহী এই আসনে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিএনপি যেমন মরিয়া, তেমনি জয় ছিনিয়ে নিতে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছে জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় জোট।
নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন মোট পাঁচজন প্রার্থী। এর মধ্যে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ) ও জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা)-এর মধ্যে মূল দ্বিমুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
এছাড়াও মাঠে রয়েছেন খেলাফত আন্দোলনের আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
এই আসনে ভোটার সমীকরণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার সংখ্যালঘু ভোটার, যা মোট ভোটারের প্রায় ২৬ শতাংশ।
ফলে শেষ মুহূর্তে এই বড় ভোটব্যাংক নিজের বাক্সে টানতে সব দলই জোর তৎপরতা চালিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল অনেকটাই নির্ভর করবে কেন্দ্রে সার্বিক ভোটার উপস্থিতির হারের ওপর।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় তিন হাজার সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন। পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্য ছাড়াও মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা। সার্বিক পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
ভোটের আগের রাতে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে রাজনৈতিক মাঠ উত্তপ্ত করেছেন দুই প্রধান প্রার্থী। জামায়াত প্রার্থীর দাবি, বিএনপি অর্থ ও নানা কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছে। অপরদিকে, বিএনপি প্রার্থী এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনে প্রতিপক্ষ অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জয় পেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরবর্তীতে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। বর্তমান নতুন তালিকা অনুযায়ী এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জনে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








