স্থানীয় সরকার, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ইসি, প্রতিমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার নির্বাচন। নয়া দিগন্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটের তারিখ নির্ধারণে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই বৈঠক থেকে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই ভোটের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবে কমিশন।

Advertisement

আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ভোটের তারিখ ঘোষণা নিয়ে সরকারের সাথে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলে সোমবার জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

ইসি সচিব বলেন, আগামী ১৭ তারিখের বৈঠকেই মূল সিদ্ধান্ত হবে। সেখানেই নির্ধারণ করা হবে ঠিক কবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর দেয়া মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ইসি সচিব সরাসরি বিতর্ক এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পাল্টা বক্তব্য দেয়ার ধৃষ্টতা কমিশন দেখাবে না। তবে ভোটের চূড়ান্ত তারিখ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত ১৭ তারিখের বৈঠকেই গৃহীত হবে।

এর আগে, গতকাল কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ জানান, সারাদেশের চার হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সম্ভাব্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের মাধ্যমে মাঠে গড়াচ্ছে স্থানীয় সরকারের এই বড় উৎসব। মোট সাতটি ধাপে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ জানান, দেশের মোট চার হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে সাতটি ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত প্রাথমিক তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপের ভোট নেয়া হবে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর।

পরবর্তী ধাপগুলোর সময়সূচি উল্লেখ করে তিনি আরো জানান, আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আগামী বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং সর্বশেষ আগামী ২৭ মে সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম ধাপের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে। এই সিদ্ধান্তগুলো কমিশন প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়।