আমেরিকা,  ইরান,  রণ-কৌশল, মধ্যপ্রাচ্যে,  মার্কিন, বিমানবাহী, রণতরী, সামরিক চাপ,  সামরিক শক্তি, কৌশল
ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীতে অবতরণ করছে যুদ্ধবিমান এফ/এ-১৮ সুপার হরনেট । আল জাজিরা

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ আরও বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ  আসছে। আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগেই বিমানবাহী রণতরি এ অঞ্চলে পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার (৪ অক্টোবর) জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে এখন একই সাথে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করবে। এর ফলে ইরানের ওপর সামরিক চাপ অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। এটি মূলত সামরিক শক্তি দেখানোর একটি কৌশল।

সামরিক বিশ্লেষক আলেক্সান্দ্রু হুদিয়াস্তেনু আল জাজিরাকে জানান, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিকল্পের পরিধি আরও বড় হচ্ছে। নতুন তিনটি এয়ার উইং যুক্ত হওয়ায় মার্কিন বাহিনী দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সামরিক অভিযান চালাতে সক্ষম হবে। এছাড়া এই তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর সাথে একটি সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিটও যোগ দিচ্ছে।

তার মতে, এই ধরনের প্রস্তুতি ট্রাম্প প্রশাসনকে কৌশলগত সুবিধা দেবে। ইরানকে চাপ দিয়ে কোনো আলোচনায় বসাতে চাইলে বা সামরিক হুমকি নিশ্চিত করতে এই শক্তি ব্যবহার করা সহজ হবে।

তবে ইরানও গত সাত মাসের সংঘাত থেকে অনেক শিক্ষা নিয়েছে। তারা এখন 'পোরকুপাইন রণ-কৌশল' বা সজারুর মতো আত্মরক্ষামূলক নীতি গ্রহণ করেছে। এর অর্থ হলো, প্রতিপক্ষ আক্রমণ করলে তাদের যেন চড়া মূল্য দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এর ফলে হামলাকারী দেশ কোনো বড় পদক্ষেপ নেয়ার আগে অন্তত দশবার ভাববে।