
কক্সবাজারের রামু উপজেলার রাজারকুলে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় মাহিয়া (৮) নামে এক শিশুশিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে রামু সেনানিবাস সংলগ্ন পাঞ্জেগানা এলাকায় স্কুলে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রামু-মরিচ্যা সড়ক অবরোধ করেন।
নিহত শিশু মাহিয়া রামকোর্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে পাঞ্জেখানা এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক শিশু মাহিয়াকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
পরে বিক্ষুব্ধ জনতা দ্রুত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে স্পিডব্রেকার নির্মাণের দাবিতে সড়কে গাছ ও বিভিন্ন বস্তু ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, সড়কে কোনো স্পিডব্রেকার না থাকায় যানবাহনগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। যার ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
এ সময় জনতা ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই সড়কে স্পিডব্রেকার স্থাপনের জোর দাবি জানানো হয়।
খবর পেয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: জিল্লুর রহমান, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক, রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফিজুর রহমান ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) সাহাব উদ্দীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
পরে উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: জিল্লুর রহমান জানান, সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে গতিরোধক নির্মাণের দাবি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানান, ঘাতক ইজিবাইকটির চালককে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। নিহত শিশুটির পরিবারের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








