
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ভাতিজার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চাচি নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আপন চাচা, বোন ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রীসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার উত্তর বারবান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউনিয়নের সদস্য (মেম্বার) মো: ফিরোজ মিয়া ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বারবান্দা গ্রামের মরহুম জয়নাল জোদ্দারের ছেলে মো: ফারুক হোসেন (৩২) দুবাইপ্রবাসী। প্রায় পাঁচ মাস আগে ছুটিতে দেশে আসেন তিনি।
স্বজনদের দাবি, দেশে ফেরার পর তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন।
আজ দুপুরে ফারুক তার মা ও ছেলে মাহমুদুলকে একটি ঘরে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে। তাদের উদ্ধারে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে ফারুক ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রথমে তার চাচি সোনাভানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে আপন চাচা খলিল হোসেন (৫০), বোন মমিনা খাতুন (৩৫) ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জোসনা বেগমকে (২৬) কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় ঘটনাস্থলেই সোনাভানের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত ফারুককে আটক করেন এবং পরে তাকে রৌমারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ ব্যাপারে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: কাউসার আলী জানান, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করে রৌমারী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








