এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, হাম, মৃত্যু, শিশু, সিলেট
এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। সংগৃহীত

সিলেটে একদিন মৃত্যুহীন থাকার পর গত ২৪ ঘণ্টায় হামে এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন কোনো হাম শনাক্ত না হলেও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে আরো ৯৪ জন।

Advertisement

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা: মো: মাহবুবুল আলম।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী এক বছর বয়সী আব্দুল্লাহ আল সাফওয়ান সিলেটের বিয়ানীবাজার, নয় মাস বয়সী জিসান আহমদ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও তিন মাস ২৪ দিন বয়সী জায়ান হবিগঞ্জের সদর উপজেলার বাসিন্দা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১১৫ জনে রয়েছে। জেলাভিত্তিক হিসেবে সিলেটে ৪৪২, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ১৫৮ ও সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ৯৪ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৪৯, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩২, জালালাবাদ রাগিব রাবেয়া মেডিক্যালে তিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নয়জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছে।

বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪৩২ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬৬, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৭৯, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৬, নর্থ ইস্টে পাঁচ, পার্কভিউ মেডিক্যালে ২০, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৯ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের জেলাভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সিলেটে হাম ও উপসর্গে ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে সিলেটে ৭৯, হবিগঞ্জে ২৮, মৌলভীবাজারে ১৫ ও সুনামগঞ্জে ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে নিশ্চিত হাম রোগে সিলেটে চার, হবিগঞ্জে চার, মৌলভীবাজারে একজন ও সুনামগঞ্জে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে সিলেটে ৮৩, হবিগঞ্জে ৩২, মৌলভীবাজারে ১৬ ও সুনামগঞ্জে ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।