
সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ছোট কালিয়াকৈর গ্রামে তোহফাতুল জান্নাহ মহিলা মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মো: আ: বারীর (৫০) বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে এ মামলা করা হয়।
মামলায় অভিযুক্তকে ১ নম্বর আসামি এবং স্বামীকে ধর্ষণ কাজে সহায়তার অভিযোগে তার স্ত্রী মোছা: তোহফাকে (৪০) ২ নম্বর আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিরুলিয়া ফাঁড়ি ইনচার্জ (এসআই) আসলাম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দুপুরে নয়া দিগন্তকে জানান, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের স্ত্রী মোছা: তোহফাকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা মো: আ: বারী পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ছোট কালিয়াকৈর গ্রামে তোহফাতুল জান্নাহ মহিলা মাদরাসায় ৫ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে মাদরাসার বিল্ডিংয়ের দোতলা থেকে নিচতলায় জুতা নেয়ার জন্য আসলে অভিযুক্ত মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মো: আ: বারী অফিস কক্ষের পাশে মাদরাসার অপর একটি কক্ষে ভিকটিমকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপরে ২ নম্বর আসামি ঘরে এসে ভিকটিমকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং কাউকে ঘটনা বললে ভিকটিমকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরবর্তীতে মাদরাসার বাবুর্চি তানজিলা (২৭) ভিকটিমকে রক্ষা করেন এবং মাদরাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য করেন। এরপর আসামিদ্বয় অভিযুক্ত মাওলানা মো: আ: বারী ও তার স্ত্রী তোহফা মাদরাসার ওপরে উঠে যান।
পরে এ ঘটনা ভিকটিম বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাছে বললে পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকার লোকজনসহ মাদরাসায় আসলে অভিযুক্ত আ: বারী পালিয়ে যান, আর স্বামীকে সহায়তাকারী স্ত্রী মোছা: তোহফাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








