
নীলফামারীর দারোয়ানী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়রা রেলপথ অবরোধে করেছেন। এ কারণে চিলাহাটি থেকে রাজশাহী ও খুলনাগামী ট্রেন চলাচল প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নিলে বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে দারোয়ানী রেলস্টেশনে ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা রেললাইনে অবস্থান নিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ও সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়ে।
আন্দোলনকারীদের দাবি, দারোয়ানী স্টেশনে অন্তত দু’টি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করতে হবে।
আন্দোলনকারী জামিয়ার রহমান বলেন, ‘আমাদের এখানে শুধু একটি লোকাল ট্রেন থামে। স্টেশনটি অনেক পুরোনো। আমরা চাই, এখানে অন্তত দু’টি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেয়া হোক।’
আরেক আন্দোলনকারী সাফিন আহমেদ বলেন, ‘আমার বাপ-দাদারাও এই স্টেশন থেকে বিভিন্ন ট্রেনে যাতায়াত করতেন। আগে প্রায় দুই-তিনটি ট্রেন থামত। এখন শুধু সকালে একটি ট্রেন থামে। আমরা চাই, এখানে অন্তত দু’টি আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ দেয়া হোক।’
নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ময়নুল হোসেন জানান, সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি নীলফামারী স্টেশনে প্রবেশ করে। এরই মধ্যে তারা জানতে পারেন, দারোয়ানী স্টেশনে রকেট মেইল ট্রেন আটকে রেখে আন্দোলন করছেন স্থানীয়রা। এতে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, ‘আমি রেলওয়ের পাকশি বিভাগে কথা বলেছি। সেখানকার কর্মকর্তা জানিয়েছে, নতুন স্টেশন মাস্টারদের প্রশিক্ষণ চলছে। প্রশিক্ষণ শেষে বন্ধ থাকা রেলস্টেশনগুলোতে তাদের নিয়োগ দেয়া হবে। দারোয়ানী রেলস্টেশনে স্টেশন মাস্টার নিয়োগ দিয়ে ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।’
প্রশাসনের এই আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








