
ইরানে আবার বড় ধরনের হামলা চালানো এবং ইয়েমেনে হাউছিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে সমর্থন দেয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে আলোচনা চলছে। এ নিয়ে শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে কয়েক ঘণ্টা বৈঠক করেছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা।
পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন শনিবার (৩ অক্টোবর) জানায়, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস তিন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বৈঠকের খবর প্রকাশ করেছে। বৈঠকটি ছিল রুদ্ধদ্বার। এর আগে এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি। এতে সভাপতিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। বৈঠকে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সিআইএ প্রধান জন র্যাটক্লিফ এবং জয়েন্ট চিফস চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকে কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অন্য কিছু কিছু বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা থমকে থাকায় দেশটির বিরুদ্ধে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর কথা ভাবছেন ট্রাম্প। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবর অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে আরো সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। এর মধ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী বহর এবং অতিরিক্ত মেরিন সেনা বহনকারী জাহাজ থাকবে। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার সেনা পাঠানো হতে পারে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এসব সেনা ও যুদ্ধজাহাজ নভেম্বরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে পারে।
এদিকে, লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর হাউছিদের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে ইয়েমেনে হামলার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব।
ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, কোনো সমঝোতা না হলে নভেম্বরের শুরুতে মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ইরানে আবার হামলা চালাতে পারেন তিনি।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








