
ফেনীর দাগনভূঞায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় জোবাইদা আক্তার (২৯) নামে ব্র্যাকের এক নারী ক্রেডিট কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সহকর্মী ও মোটরসাইকেল চালক মনিরুজ্জামান (৩৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের দাগনভূঞা বাজারের আতাতুর্ক স্কুল মার্কেটের আমানিয়া বেকারির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জোবাইদা আক্তার ফেনী সদর উপজেলার রামপুর গ্রামের রাজন মিয়ার স্ত্রী। তিনি সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের চাঁন মিয়া ডাক্তার বাড়ির বাসিন্দা।
অন্যদিকে আহত মনিরুজ্জামান গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রামের মো: মোস্তফা তালুকদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ব্র্যাকের ক্রেডিট অফিসার জোবাইদা আক্তার সহকর্মী মনিরুজ্জামানের সাথে মোটরসাইকেলে করে অফিসের উদ্দেশে রওনা হন। দাগনভূঞা বাজারের আমানিয়া বেকারির সামনে পৌঁছালে নোয়াখালী থেকে ফেনীগামী একটি কাভার্ডভ্যান একটি অটোরিকশাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল চালক মনিরুজ্জামান বাম পাশে ছিটকে পড়ে আহত হন। আরোহী জোবাইদা সড়কের ডান পাশে পড়ে গেলে কাভার্ডভ্যানের পেছনের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা কাভার্ডভ্যানের চালক সোহেলকে (৩৩) আটক করে মারধর করে। আটক সোহেল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাকশাস্তা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক এবং কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে। পরে মহিপাল হাইওয়ে থানাকে বিষয়টি জানানো হলে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।








