লোড হচ্ছে...
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব ও শহর-গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহে বৈষম্য কমানোর লক্ষ্য নিয়ে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানো হবে।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬
দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লোডশেডিং পরিস্থিতি ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। এপ্রিলের শুরু থেকেই এ সংকট নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং মে–জুন মাসে তা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিদ্যুতের চাহিদা দাঁড়ায় প্রায় ১৫ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াট, যার বিপরীতে ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৩৫৮ মেগাওয়াট। একই দিনে সর্বোচ্চ লোডশেডিং পৌঁছায় ১ হাজার ৯৩২ মেগাওয়াটে। সাম্প্রতিক কয়েক দিনের তথ্য বলছে, এই ঘাটতি প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
২২ এপ্রিল, ২০২৬
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রায় প্রতি এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।
১৫ এপ্রিল, ২০২৬

