লোড হচ্ছে...
বৈশাখ মানেই তপ্ত রোদে পোড়া মাটির সোঁদা গন্ধে মেশা একরাশ রঙের উৎসব। আর সেই উৎসবের প্রাণভোমরা হয়ে তিন দশক ধরে রাজপথ কাঁপাচ্ছে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা। কখনো তা ছিল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা, কখনো তা বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের দর্পণ। সময়ের আবর্তে রাজনীতির জল ঘোলা হয়েছে, বহুবার বদলেছে এই শোভাযাত্রার নাম। কিন্তু ঢাকের কাঠি যখন আড়ংয়ে পড়ে, তখন কি আর সেই সুরের কোনো নাম থাকে? ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া এই শোভাযাত্রা আজ কেবল একটি শোভাযাত্রা বা মিছিল নয়, বরং বাংলাদেশের হৃদস্পন্দন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর ‘নামকরণ’ নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে আমাদের।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
সংস্কার প্রশ্নে ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ সবাইকে ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়নে তাদেরকেও রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৪ এপ্রিল, ২০২৬
শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আর রাজপথে নামার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

