লোড হচ্ছে...
দেশের অর্থনীতি এখন এক ধরনের বহুমুখী চাপের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে মূল্যস্ফীতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি, অন্যদিকে মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের গতি দুর্বল, বিনিয়োগে স্থবিরতা, আর ব্যাংক ও জ্বালানি খাতে বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে উঠছে।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬
উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যেও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ছে। গত জানুয়ারিতে এই খাতে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ১ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা, যা আগের কয়েক মাসের ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতারই অংশ। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এর আগের ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই নিট বিনিয়োগ ছিল ইতিবাচক। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, ব্যাংক খাত নিয়ে আস্থাহীনতা ও শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিনের মন্দার কারণে বিনিয়োগকারীরা এখন ঝুঁকিমুক্ত খাত খুঁজছেন। সেই জায়গায় সঞ্চয়পত্রই হয়ে উঠছে প্রধান বিকল্প। বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতিও এ প্রবণতাকে ত্বরান্বিত করছে।
৩০ মার্চ, ২০২৬

