লোড হচ্ছে...
বাংলা নববর্ষকে ঘিরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বপ্নবিতানের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব–১৪৩৩’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) শুরু হয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। শেষ দিনেও দর্শনার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং দেশপ্রেমের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এ মেলায় সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয় মাটির আসবাবপত্র, গামছাসহ নানা দেশীয় ও ঐতিহ্যবাহী উপকরণ।
২২ এপ্রিল, ২০২৬
বৈশাখের শুরুতে অল্পস্বল্প স্বস্তি মিললেও দেশের আবহাওয়ায় এখনো গরমের প্রভাব স্পষ্ট। দিনের তাপমাত্রা অনেক জায়গায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। এরই মধ্যে নতুন করে বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা সাময়িকভাবে গরম কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
১৮ এপ্রিল, ২০২৬
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে দেশীয় সংস্কৃতি ধারণ, লালন ও বিকাশের লক্ষ্যে এতিম, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত।
১৫ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩। নতুন সূর্যের আলোয় আবারও জেগে উঠেছে বাঙালির প্রাণ। এবারের প্রতিপাদ্য—‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ’। এটি শুধু একটি স্লোগান নয়; সময়ের দাবি, মানুষের আকাঙ্ক্ষা এবং সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বপ্নের প্রতিফলন।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত বৈশাখী শোভাযাত্রার আগে জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরেছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান। তিনি বলেছেন, জামায়াত পয়লা বৈশাখকে ধারণ করে এবং দেশের সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।...
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
এক সময় গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে পুরান ঢাকার অলিগলিতে বৈশাখের প্রথম সকালে ধুম পড়ে যেত হালখাতার। বর্তমানে আধুনিকতা আর ডিজিটাল লেনদেনের ভিড়ে হালখাতার ....
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে এবারের বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ছিল প্রতীক, ঐতিহ্য ও সমকালীন ভাবনার এক অনন্য মেলবন্ধন। বাংলা সন ১৪৩৩ বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এ শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ছিল—‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। এবার শোভাযাত্রার মূল আকর্ষণ ছিল পাঁচটি প্রধান মোটিফ, যার প্রতিটিই বহন করেছে আলাদা বার্তা।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পহেলা বৈশাখ ঘিরে রাজধানী ঢাকাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলার আবহ শহরেও ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে বসেছে বৈশাখী মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ আয়োজন। যেখানে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে আসার সুযোগ আছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিসিক ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বৈশাখী মেলা চলছে ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত, যেখানে গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। একই সময়ে বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসএমই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে শতাধিক স্টলে দেশীয় পণ্য ও খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন সাংস্কৃতিক আয়োজনও থাকছে।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
নববর্ষের প্রথম প্রহরে রাজধানীতে উৎসবমুখর পরিবেশে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বৈশাখী শোভাযাত্রা-১৪৩৩।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বাংলা নববর্ষ ঘিরে প্রতিবছরের মতো এবারও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে বসানো হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট। প্রতিটি প্রবেশমুখে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর রাখা হচ্ছে বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ভেতর ও আশপাশের এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশ এমন এক ধারণা এখন প্রায় প্রতিষ্ঠিত। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ভোরবেলা পান্তাভাত আর ইলিশ ভাজা যেন এক অনিবার্য আয়োজন। কিন্তু এই চেনা দৃশ্য কি সত্যিই বহুদিনের ঐতিহ্য? ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, গল্পটা আসলে একটু ভিন্ন। পান্তাভাতের শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত। বাংলার গ্রামীণ জীবনে এটি ছিল একেবারেই সাধারণ খাবার-সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখার কার্যকর উপায়। মধ্যযুগীয় সাহিত্যেও এর উপস্থিতি দেখা যায়। মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে ‘আমানি’ শব্দটি দিয়ে পান্তার জলীয় অংশের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ‘আমানি’ ঘিরেই ছিল এক ধরনের আঞ্চলিক কৃষিভিত্তিক উৎসব, যেখানে ভেজানো ভাত খাওয়ার রেওয়াজ ছিল। গ্রামের মানুষ পান্তা খেতেন নুন, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ কিংবা ভর্তার সঙ্গে। কখনো ছোট মাছ থাকত, কিন্তু ইলিশ ছিল বিলাসী খাবার-সব সময়ের নাগালে নয়। ফলে পান্তা আর ইলিশের যুগলবন্দি ছিল না গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সংস্কৃতিসমৃদ্ধ দেশ। এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাস ও লালিত ঐতিহ্যের আলোকে সংস্কৃতি পরিচালিত হওয়াই স্বাভাবিক। তবে তিনি উল্লেখ করেন, জাতি হিসেবে আমরা ক্রমশ নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছি এবং ভিনদেশি সংস্কৃতির প্রতি ঝুঁকে পড়ছি।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ উদযাপনে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছে এক প্রাণবন্ত উৎসবস্থলে। বৈশাখকে বরণ করতে ভোর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, চারুকলা অনুষদ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা ও আশপাশের সড়কগুলোতে মানুষের ঢল নামে। সব বয়সী মানুষ, পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে উৎসবের আমেজে। সকালবেলায় সূর্য ওঠার আগেই অনেকেই চলে আসেন প্রিয় এই প্রাঙ্গণে। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত তরুণ-তরুণী, নারীদের খোঁপায় গাঁথা ফুল, পুরুষদের পাঞ্জাবিতে বৈশাখের ছোঁয়া—সব মিলিয়ে চারদিকে সৃষ্টি হয় এক বর্ণিল আবহ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে গান, নৃত্য ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে বরণ করা হয় নতুন বছর।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পয়লা বৈশাখ মানেই রঙিন পোশাক, শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ আর দিনভর ঘোরাঘুরি। তবে এই আনন্দের মধ্যেই থাকে আরেকটি বাস্তবতা সেটি হচ্ছে- তীব্র গরম আর কাঠ ফাটা রোদ। এই দিনের আনন্দ যেন বিষাদে পরিণত না হয়, সেজন্য উৎসবের দিনটিতে নিজের ও পরিবারের সুস্বাস্থ্যের প্রতি বাড়তি নজর দেয়া জরুরি।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
বছর ঘুরে আবারও চলে এলো বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। বৈশাখ মানেই রঙিন পোশাক, পান্তা-ইলিশ, শোভাযাত্রা, মেলা আর উৎসবের উচ্ছ্বাসে ভরা এক দিন। এই দিনটিকে ঘিরে সবার মধ্যেই থাকে আলাদা উত্তেজনা। বন্ধু-পরিবারের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা আর দিনভর আনন্দে মেতে থাকা-সব মিলিয়ে বৈশাখ হয়ে ওঠে স্মরণীয় একটি উৎসব।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ আজ। হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক এই দিনটি নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে আবারও একত্র...
১৪ এপ্রিল, ২০২৬
পহেলা বৈশাখ মানেই ভোর থেকে শুরু হওয়া উৎসব, রোদে ঘোরা, শোভাযাত্রা, ভিড় আর সারাদিনের আনন্দ। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় গরম, ঘাম আর ধুলোর কারণে অনেক...
১৩ এপ্রিল, ২০২৬
তীব্র গরমকেও যেন হার মানিয়েছে উৎসবের উচ্ছ্বাস। রোদের তাপ উপেক্ষা করেই পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা করতে রাজধানীর শপিংমল গুলোতে ভিড় করছেন উৎসবপ্রিয় বাঙালি। আর সেই ....
১৩ এপ্রিল, ২০২৬
বাংলা নববর্ষ শুধু একটি তারিখ নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর আনন্দের এক অনন্য মিলনমেলা। পহেলা বৈশাখে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় পুরনো সব দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন শুরুর অঙ্গীকারে। আর এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হলো বৈশাখী খাবার। বৈশাখের দিনে পাতে কী থাকবে, তা নিয়ে থাকে আলাদা আগ্রহ। ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি আধুনিক পদও এখন বৈশাখী আয়োজনে জায়গা করে নিয়েছে।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬

